1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যবসায়ীর কাছে বিএনপির তিন নেতার ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সোনাতলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন চিলমারীতে দুই বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটনে সংবাদ সংগ্রহে তিন সাংবাদিককে বাধা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঘাস ব্যবসায়ীর হাত ভাঙা ‎ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ‌ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে উজাড় হচ্ছে কুয়াকাটার ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ ‎আলেম সমাজের সঙ্গে আবুল হোসেন মিয়ার মতবিনিময়: ঐক্য, উন্নয়ন ও দ্বীনি মূল্যবোধ জোরদারের আহ্বান কুয়াকাটায় অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্যস্নানে হাজারো ভক্তের সমাগম জামালপুরের ইসলামপুর মন্দিরে ভজন গীত পরিবেশন

তিস্তায় রহস্য ঘনীভূত: সুন্দরগঞ্জে ফের অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

আমিনুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ৪৪৭ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ফের তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার হলো অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ। নদীর ঢেউ যেন আজকাল ভয়ংকর রহস্য বয়ে আনছে। রোববার (২০ জুলাই) বিকেলে হরিপুর ইউনিয়নের চর চরিতাবাড়ি এলাকায় নদীর তীরে মরদেহটি ভাসতে দেখা যায়।
স্থানীয় এক বাসিন্দা প্রথমে লাশটি দেখতে পান এবং বিষয়টি জানান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে। পরে চেয়ারম্যান খবর দেন থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক তদন্ত করে।
পুলিশ জানায়, মৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৬০ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যে। শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, নদী পারাপারের সময় কোনোভাবে ডুবে তার মৃত্যু হতে পারে এবং তিস্তার প্রবল স্রোতে ভেসে এসে এখানে এসে ঠেকে।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাকিম আজাদ বলেন, “মরদেহটি আপাতত থানায় রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই ঘটনার মাত্র চার দিন আগে, একই উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার গ্রামে তিস্তা নদী থেকেই উদ্ধার করা হয়েছিল আরও একটি অর্ধগলিত মরদেহ। সে মৃতদেহটির হাত ও পায়ের কিছু অংশ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল, যা ঘটনাকে আরও রহস্যজনক করে তোলে।
পরপর দুটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন—তিস্তায় আসলে কী ঘটছে? পুলিশ বলছে, দুটি ঘটনাই তদন্তাধীন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com