1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আশুলিয়ায় পাঁচটি শ্রমিক সংগঠনের যৌথ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সাব্বির আহম্মেদ - সাভার (ঢাকা) থেকেঃ-
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবার(২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে এ গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার দাবিতে যৌথ আলোচনা সভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ-সময় গার্মেন্টস শ্রমিক সংগঠনের নেতারা তাদের বক্তব্যে বলেন আপনারা জানেন যে, বর্তমানে ফেস শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরী ৮০০০/- টাকা বা গত ২৫ নভেম্বর ২০১৮ সালে ঘোষনা করা হয়। আগামী ২৫ নভেম্বর ৫ বছর পূর্ন হবে।

এই ৫ বছরে প্রতিদিন নিত্য প্রয়োজনীয় চাল ডাল আলু রসুন মাছ-মাংস তরিতরকারী শিক্ষা চিকিৎসা বাড়ী-ভাড়া খরচ বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিগুন বা তার বেশি হয়েছে।

বর্তমান ডলারের মান হিসাব করলে শ্রমিকদের মজুরী কমেছে এবং মালিকদের ডলারের বর্তমান বাজার দর অনুসারে। বর্তমানে নিম্নতম মজুরীতে শ্রমিকদের জন্য ৭ টি গ্রেড এবং কর্মচারীদের জন্য ৪ টি গ্রেড রয়েছে।

সিনিয়র গ্রেডে (এনং গ্রেড) কাজ করলেও শ্রমিকদের সাধারন বা জুনিয়ার গ্রেড দেয়া হয়। শ্রমিকদের জন্য ৭ টি গ্রেড দরকার না হলেও শ্রমিকদের ঠকানোর জন্য ৭টি গ্রেড করা হয়।

পূর্বের ঘোষিত নিম্নতম মজুরীর গ্রেডে শ্রমিকদের মূল মজুরী কমিয়ে ৫১% করা হয়। যার ফলে শ্রমিকদের ওভারটাইম মজুরী, ঈদ বোনাস এবং সার্ভিস বেনিফিট কমেছে। আমরা মজুরী বোর্ডের কাছে তীব্র প্রতিবাদ করেছি।

শ্রমিক ভাই ও বোনেরা-আমরা আপনাদের পক্ষে মজুরী বোর্ডের কাছে নিম্নতম মজুরী বৃদ্ধির জন্য নিম্নোক্ত দাবী পেশ করেছিঃ-
৭ টি গ্রেডের পরিবর্তে ৫ টি গ্রেড করতে হবে।
১ নং গ্রেড ও ২ নং গ্রেড ষ্টাফদের জন্য করতে হবে।
৩ নং গ্রেড (অভিজ্ঞ অপারেটর সহ) শ্রমিকদের জন্য ২৮৫০০/- টাকা করতে হবে।
৪ নং গ্রেড (জুনিয়র অপারেটর বা কম অভিজ্ঞ) শ্রমিকদের জন্য ২৬০০০/- টাকা করতে হবে।
৫ নং গ্রেড হেলপারদের জন্য ২৩০০০/- টাকা করতে হবে।
মূল মজুরী ৬৫% এবং বাড়ীভাড়া ৩৫% করতে হবে।

মোঃ বাবুল আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাজাহান খাঁন এমপি সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রনালয়।

আরো উপস্থিত ছিলেন জেড এম কামরুল আনাম, সভাপতি বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগ। মোঃ নুরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ইউনাইটেড ফেডারেশন অফ গার্মেন্টস ওয়াড়কার্স, মোঃ আমিরুল হক আমিন সভাপতি জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, সালাউদ্দিন স্বপন সভাপতি বাংলাদেশ বিপ্লবী গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, বাবুল আখতার সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ গার্মেন্টস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশন, সহ মোঃ ফরিদুল ইসলাম সাংগঠনিক সম্পাদক জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটি।

মোঃ ইমন সিকদার সভাপতি ইউনাইটেড ফেডারেশন অফ গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স, সাভার আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি সহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com