1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এআই প্রযুক্তিতে ট্রাফিক মনিটরিং, এক সপ্তাহে ৩শ’ মামলা ড. ইউনূসকে জুলাই শহীদ নাফিজের স্মারক চিত্রকর্ম উপহার দিলেন ডাকসু ভিপি জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে একচুলও সরিনি: ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি বিকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নেওয়া হচ্ছে কারিনা কায়সারকে রাজধানীতে জরুরি পানি সরবরাহে সরকারের ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে বিএসএফকে জমি দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঢাবির সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়লেন মোনামি পুলিশের চেইন অফ কমান্ড ভাঙলে ব্যবস্থা নেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিদেশী নাগরিককে হয়রানী করায় ২ টিকটকার গ্রেপ্তার শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা মোজতবা খামেনির

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা

আনন্দ রায়
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের শ্রীপুরে বেতন বৃদ্ধি ও প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা।শুক্রবার (১ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মুলাইদ গ্রামের এমসি বাজার এলাকার তালহা স্পিনিং মিলস্ লিমিটেডের শ্রমিকরা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।
এসময় মহাসড়কে কাঠে আগুন জ্বালানো হয়। এতে দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের তৈরি হয়। ঘটনার পরপরই শ্রীপুর থানা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শ্রমিকরা মহাসড়ক ত্যাগ করেন।শিল্প পুলিশের শ্রীপুর ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. মিনহাজ বলেন, শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে বিকেল পৌনে ৩টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। কারখানার ভেতরে শ্রমিকদের আন্দোলনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। দ্রুতই শ্রমিকদের সমস্যা মিটে যাবে।
তালহা স্পিনিং মিলের আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, কারখানার শ্রমিকদের প্রতি মাসের ২০ তারিখে বেতন পরিশোধ করে কারখানা কর্তৃপক্ষ। আমরা বারবারই প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধের দাবি জানালেও কারখানা কর্তৃপক্ষ তাতে কর্ণপাত করছে না। এছাড়াও গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেসিক বেতন ১৪ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করলেও আমরা যারা টেক্সটাইল শ্রমিক হিসেবে আছি তাদের বেসিক বেতন ৭ হাজার টাকাই রয়ে গেছে। আমরা এসব বিষয় কারখানা কর্তৃপক্ষের নজরে আনলেও তারা আশ্বাস দিয়েই যাচ্ছেন।
শ্রমিক মেহেদী হাসান, অনুপম ও রাব্বি বলেন, আমরা এখানে রুম ভাড়া নিয়ে থাকি, পুরো মাসে মুদি দোকান থেকে বাকিতে দৈনন্দিন পণ্য কিনে বেতন পেয়ে বিল পরিশোধ করি। কারখানা থেকে প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বেতন না দিলে আমরা ঘর ভাড়া, দোকান বাকি পরিশোধ করতে পারি না। এ নিয়ে দোকান মালিক ও বাড়ির মালিকদের কথা শুনতে হয়। আমাদের এই দুর্ভোগের কথা কারখানা কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার বললেও তারা তা সমাধানে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। তাই বাধ্য হয়ে আমরা আন্দোলনে নেমেছি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com