1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এবার ইসরায়েলকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিলেন জেলেনস্কি বাংলাবান্ধা আইসিপি চেকপোস্টে ২৪ হাজার ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক ভারতীয় ভিসার বিষয়ে শিগগিরই ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফেসবুকে নিলিমার পোস্ট, বাস থেকে নেমে ডেকে কাছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের ‘দেশে জঙ্গি নেই’ বক্তব্যটি সঠিক ছিল না: তথ্য উপদেষ্টা ফ্যামিলি কার্ডে ব্যয় ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা ‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’ সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ

মাহিন্দ্রের ধাক্কায় জজ কোর্টের মুহুরী নিহত

আক্তার হোসেন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুরে বালু বোঝাই মাহিন্দ্রের (ড্রাম ট্রাক) ধাক্কায় জজ কোর্টের মুহুরী নিহতের ঘটনায় ট্রাকে আগুন দিয়েছে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে গেলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় এলাকাবাসী। এতে ৫ পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন ৭ জন। আজ রোববার সকাল ১০ টার দিকে কালকিনি-ভুরঘাটা সড়কের দক্ষিন রাজদী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নেছারউদ্দিন হাওলাদার ১০ বছর ধরে মাদারীপুর জজ কোর্টে মুহুরীর দায়িত্ব পালন করে আসছে। তিনি কালকিনির পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম মিনাজদি গ্রামের কাদের হাওলাদারের ছেলে। সংসারে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে তার।

স্বজন, এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিজ বাড়ি কালকিনি পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম মিনাজদি থেকে মোটরসাইকেল যোগে মাদারীপুর জজ কোর্টে যাচ্ছিল নেছারউদ্দিন হাওলাদার। দক্ষিণ রাজদী এলাকায় আসলে পেছন থেকে আসা একটি বালু বোঝাই ড্রাম ট্রাক (মাহিন্দ্র) মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয় জজ কোর্টের মুহুরী নেছারউদ্দিন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নেছারউদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি আশ-পাশের এলাকায় জানাজানি হলে উত্তেজিত জনতা ড্রাম ট্রাকে (মাহিন্দ্র) তে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে সড়ক অবরোধ করেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে ফায়ার সার্ভিস ও কালকিনি থানা পুলিশ। প্রথমে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সাথে উত্তেজিত জনতার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয়রা। এতে ৫ পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন ৭ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পুলিশ। পরে মাদারীপুর জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

পথচারী আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ইজিবাইকযোগে কালকিনি যাচ্ছিলাম। সাথে পরিবারের সবাই ছিল। হঠাৎ সড়কে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়ায় স্থানীয়রা। ড্রাম ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

কালকিনি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খোকন জমাদ্দার বলেন, ড্রাম ট্রাকের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে প্রথমে স্থানীয়রা আমাদের উপরে ইটপাটকেল ছুঁড়ে মারে। পরে পুলিশ আসলে তাদেরও ইট মারে। আগুন নেভানোর আগেই ট্রাকটির অনেকাংশ পুড়ে যায়।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলাউল হাসান জানান, উত্তেজিত জনতাকে থামাকে গেলে তারা পুলিশের উপরে চড়াও হয়। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com