1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

রাজশাহীর ৪ কলেজকে রাবির অধিভুক্তির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে; সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৪২৮ বার পড়া হয়েছে
গত ৪ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহাকারী সচিব শতরূপা তালুকদার সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে রাজশাহী জেলার চারটি সরকারি কলেজকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অধিভুক্ত করা হয়।আজ শনিবার (৬ এপ্রিল) রাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল এবং সাধারণ সম্পাদক আশিকুর হৃদয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানায় তাঁরা।
 যুক্ত এ বিবৃতিতে তাঁরা জানান,  “ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজসমূহের শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপ- আলোচনা না করেই সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক উপায়ে একটি হঠকারী সিদ্ধান্ত চাপানো হয়েছে। অধিভুক্ত করণের বাস্তব ভিত্তি, ফলাফল এবং প্রাপ্তি অনুসন্ধান করে কোনো গবেষণা প্রতিবেদন আমাদের সামনে আসেনি। প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে হাজারো শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা জড়িত। কোনো প্রকার যৌক্তিক ভিত্তি নিরুপণ এবং প্রকাশ ছাড়াই খেয়ালখুশির নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে গেলে এই শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত হুমকি সম্মুখীন হবে।”
সিদ্ধান্তের পরিণতি হবে ধ্বংসাত্মক উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ৭ কলেজের বর্তমান সংকটময় পরিণতি, আরোপিত সিদ্ধান্তের বিষময় ফলাফল জানান দিচ্ছে। কলেজগুলোয় ভর্তি প্রক্রিয়ায় ভোগান্তি, ক্লাস লেকচার এবং প্রশ্ন পত্রের অসামঞ্জস্যতা, ফলাফল প্রদানের দীর্ঘসূত্রিতা, ব্যয়বৃদ্ধি, ফলাফল বিপর্যয়, সেশনজট সহ বহুমুখী সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরা বিপর্যস্ত এবং আন্দোলনরত। ঢাকার ৭ কলেজের সংকটের কোনো সমাধানযোগ্য রূপরেখা অর্জন না করেই রাজশাহী ও চট্টগ্রামের শীর্ষ কলেজগুলো নিয়ে অনুরূপ সিদ্ধান্ত একই পরিণতিই বয়ে আনবে। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু বিভাগ সেশনজট, শিক্ষকসংকটসহ নানান সমস্যায় জর্জরিত। এমন অবস্থায় ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে কলেজ অধিভুক্তির বাড়তি চাপ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার অবশিষ্ট পরিবেশটুকুকেও বিঘ্নিত করবে। একইসাথে অধিভুক্ত এই ৪ কলেজের একাডেমিক – প্রশাসনিক সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।”
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষার যে সংকট বিদ্যমান, সরকার কখনোই তা নিরসনের বাস্তব প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি। উপরন্তু শীর্ষ কলেজগুলোকে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার একটি অন্তঃসারশূন্য উদ্যোগ নিয়েছে। যা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মানে কোনো উন্নয়ন তো আনছেই না বরং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানবৃদ্ধির পক্ষের জনমতকে বিভক্ত ও দুর্বল করছে। একইসাথে শীর্ষ কলেজ সমূহের বাইরের অসংখ্য কলেজে অধ্যয়নরত লাখো শিক্ষার্থীর মানসম্মত শিক্ষার দাবিও আড়াল হচ্ছে। মূলত এই রাষ্ট্র এবং সরকার অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদানের দায়িত্ব অস্বীকার করতে চায়। অধিভুক্তির এই সিদ্ধান্ত তারই ইঙ্গিত বহন করে।”
এই সিদ্ধান্ত বাতিল ও এই বিষয়ে কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা উল্লেখ করেন, নেতৃবৃন্দ রাজশাহী জেলার ৪ গুরুত্বপূর্ণ কলেজকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত করার অন্তঃসারশূন্য, ধ্বংসাত্মক এবং হঠকারী সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানান। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাবিসহ রাজশাহী সরকারি কলেজ, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ, রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ ও নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীদের সোচ্চার হওয়াও আহ্বান করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com