রায়পুর পৌরসভার চিত্র আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে। উন্নয়নের ছোঁয়া পেয়ে একটি আধুনিক ও মডেল পৌরসভার রূপ নিচ্ছে রায়পুর পৌরসভা। আর এর অগ্র নায়কের ভূমিকায় রয়েছে রায়পুর পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট। মাত্র আড়াই বছরে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৪ হাজার মিটার রাস্তা কাজ করেছেন। ডজন খানেক ঘাটলা এবং ছোট বড় প্রায় ১০০টি মত রাস্তা নির্মাণ করেছেন। প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রায়পুর মাছ বাজারের কাজ চলমান রয়েছে এবং ইতোমধ্যে প্রায় ২২ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার সম্পাদন হয়েছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।
তথ্যমতে, মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ওহিদুর রহমান সড়কে ১১৫০ মিটার, ১নং ওয়ার্ডের টি সি রোড থেকে গাজীনগর রাস্তা ৯৩০ মিটার, ৫নং ওয়ার্ডের জনতা বাজার রাস্তা ৪৫০ মিটার, ৮নং ওয়ার্ডের কাজী ফিরোজ ফারভেজ সড়ক ৩৫০ মিটার, ৫নং ওয়ার্ডের ৮৪০ মিটার, ১নং ওয়ার্ড গাজীনগর রোড থেকে ঢালি বাড়ী রোড ২২০ মিটার একই ওয়ার্ডে মৈশাল বাড়ীর রাস্তা ২৫০ মিটার, হায়দারগঞ্জ রোড শাহজাহান চৌধুরী ১০৪৫ মিটার রাস্তা সংস্কারসহ প্রায় ডজন খানিক রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তাছাড়া পৌরসভার বাড়ীর রাস্তা গুলোকে আর সি সি ঢালাই এর মাধ্যমে প্রধান সড়কের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা গুলোর মধ্যে রয়েছে- ৩নং ওয়ার্ড পীর বাড়ীর রাস্তা ৩৭০ মিটার, ৬নং ওয়ার্ড জ্বীনের মসজিদ রাস্তায় ২০০ মিটার, ৩নং ওয়ার্ড টি সি রোড ৩০০ মিটার, ২নং ওয়ার্ড মিঝি বাড়ীর সড়ক ৩০০ মিটারসহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায় ৪ হাজার মিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া তৃণমূলে মা-বোনদের সুবিধার্থে বাড়ীতে বাড়ীতে আর সি সি ঘাটলা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ঘাটলা গুলোর মধ্যে রয়েছে ৬নং ওর্য়ার্ডের কালি বাড়ী পুকুর, ৭নং ওয়ার্ড মুন্সি বাড়ীর পুকুর, ১নং ওয়ার্ড কেরামত আলী মাঝি বাড়ীর পুকুর, ৫নং ওয়ার্ড ডাকাতিয়া নদীর পাশে ঘাটলা নির্মাণসহ প্রায় ডজন খানিক আর সি সি ঘাটলা নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।
রায়পুর পৌরসভাকে ঢেলে সাজাতে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মাছের বাজার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া পৌরসভার ৫নং ও ২নং ওয়ার্ডে প্রায় ৬৫০ মিটার আর সি সি ঢালাই উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া মোঃ গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট এর পক্ষ থেকে জনকল্যাণে রায়পুর সড়কে চৌরাস্তায় পুলিশ ট্রাফিক বক্স স্থাপন করা হয়েছে। বাস স্ট্যান্ডে আধুনিক শৌচাগার স্থাপন ও পানির পাম্প মেরামত ও নতুন পানির পাম্প স্থাপন, যাত্রী ছাউনি ও অস্থায়ী মাছ বাজারসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট বলেন, “রায়পুর পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ডে আমরা এ পর্যন্ত এ আড়াই বছরে প্রায় ১০০টির মতো রাস্তা আমরা করে দিয়েছি। ইউজি প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ২২ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে দিয়েছি। সেখানে থাকবে বড় বড় কয়েকটি রাস্তা, মূল শহরে থাকবে ড্রেনেজ এর ব্যবস্থা। নগর উন্নয়নের আরেকটি প্রকল্প রয়েছে সেখানে আমরা ৬ কোটি ১২ লাখ টাকার টেন্ডার দিয়ে দিয়েছি। এ প্রকল্পে পৌরসভার প্রায় ৪৩টি বাড়ীর রাস্তার কাজ শুরু হবে”। তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি পৌর নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করা, সেবার মান বৃদ্ধি করা এবং পৌর নাগরিকগণ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য অনলাইনে সকল টেক্স, পানির বিল, জন্ম নিবন্ধনসহ প্রায় সব কয়টি শাখায় বিল প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে”।