1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

রায়পুর পৌরসভা উন্নয়নের ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে বদলে আধুনিক ও মডেল পৌরসভায় রূপ নিচ্ছে”

ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

রায়পুর পৌরসভার চিত্র আস্তে আস্তে বদলে যাচ্ছে। উন্নয়নের ছোঁয়া পেয়ে একটি আধুনিক ও মডেল পৌরসভার রূপ নিচ্ছে রায়পুর পৌরসভা। আর এর অগ্র নায়কের ভূমিকায় রয়েছে রায়পুর পৌরসভার সুযোগ্য মেয়র মোঃ গিয়াস  উদ্দীন রুবেল ভাট। মাত্র আড়াই বছরে তিনি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৪ হাজার মিটার রাস্তা কাজ করেছেন। ডজন খানেক ঘাটলা এবং ছোট বড় প্রায় ১০০টি মত রাস্তা নির্মাণ করেছেন। প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রায়পুর মাছ বাজারের কাজ চলমান রয়েছে এবং ইতোমধ্যে প্রায় ২২ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার সম্পাদন হয়েছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।

তথ্যমতে, মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের ওহিদুর রহমান সড়কে ১১৫০ মিটার, ১নং ওয়ার্ডের টি সি রোড থেকে গাজীনগর রাস্তা ৯৩০ মিটার, ৫নং ওয়ার্ডের জনতা বাজার রাস্তা ৪৫০ মিটার, ৮নং ওয়ার্ডের কাজী ফিরোজ ফারভেজ সড়ক ৩৫০ মিটার, ৫নং ওয়ার্ডের ৮৪০ মিটার, ১নং ওয়ার্ড গাজীনগর রোড থেকে ঢালি বাড়ী রোড ২২০ মিটার একই ওয়ার্ডে মৈশাল বাড়ীর রাস্তা ২৫০ মিটার, হায়দারগঞ্জ রোড শাহজাহান চৌধুরী ১০৪৫ মিটার রাস্তা সংস্কারসহ প্রায় ডজন খানিক রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। তাছাড়া পৌরসভার বাড়ীর রাস্তা গুলোকে আর সি সি ঢালাই এর মাধ্যমে প্রধান সড়কের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা গুলোর মধ্যে রয়েছে- ৩নং ওয়ার্ড পীর বাড়ীর রাস্তা ৩৭০ মিটার, ৬নং ওয়ার্ড জ্বীনের মসজিদ রাস্তায় ২০০ মিটার, ৩নং ওয়ার্ড টি সি রোড ৩০০ মিটার, ২নং ওয়ার্ড মিঝি বাড়ীর সড়ক ৩০০ মিটারসহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায় ৪ হাজার মিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া তৃণমূলে মা-বোনদের সুবিধার্থে বাড়ীতে বাড়ীতে আর সি সি ঘাটলা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ঘাটলা গুলোর মধ্যে রয়েছে ৬নং ওর্য়ার্ডের কালি বাড়ী পুকুর, ৭নং ওয়ার্ড মুন্সি বাড়ীর পুকুর, ১নং ওয়ার্ড কেরামত আলী মাঝি বাড়ীর পুকুর, ৫নং ওয়ার্ড ডাকাতিয়া নদীর পাশে ঘাটলা নির্মাণসহ প্রায় ডজন খানিক  আর সি সি ঘাটলা নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

রায়পুর পৌরসভাকে ঢেলে সাজাতে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে মাছের বাজার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া পৌরসভার ৫নং ও ২নং ওয়ার্ডে প্রায় ৬৫০ মিটার আর সি সি ঢালাই উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া মোঃ গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট এর পক্ষ থেকে জনকল্যাণে রায়পুর সড়কে চৌরাস্তায় পুলিশ ট্রাফিক বক্স স্থাপন করা হয়েছে। বাস স্ট্যান্ডে আধুনিক শৌচাগার স্থাপন ও পানির পাম্প মেরামত ও নতুন পানির পাম্প স্থাপন, যাত্রী ছাউনি ও অস্থায়ী মাছ বাজারসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।  মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দীন রুবেল ভাট বলেন, “রায়পুর পৌরসভা  ৯টি ওয়ার্ডে আমরা এ পর্যন্ত এ আড়াই বছরে প্রায় ১০০টির মতো রাস্তা আমরা করে দিয়েছি। ‍ইউজি প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ২২ কোটি টাকার টেন্ডার দিয়ে দিয়েছি। সেখানে থাকবে বড় বড় কয়েকটি রাস্তা, মূল শহরে থাকবে ড্রেনেজ এর ব্যবস্থা। নগর উন্নয়নের আরেকটি প্রকল্প রয়েছে সেখানে আমরা ৬ কোটি ১২ লাখ টাকার টেন্ডার দিয়ে দিয়েছি। এ প্রকল্পে পৌরসভার প্রায় ৪৩টি বাড়ীর রাস্তার কাজ শুরু হবে”। তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি পৌর নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করা, সেবার মান বৃদ্ধি করা এবং পৌর নাগরিকগণ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য অনলাইনে সকল টেক্স, পানির বিল, জন্ম নিবন্ধনসহ প্রায় সব কয়টি শাখায় বিল প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে”।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com