1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

লক্ষ্মীপুরে বৃদ্ধের সম্পত্তির সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাধা

মাহমুদুর রহমান মনজু 
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫
  • ৩৯৬ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারীতে আবদুল মালেক (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের সম্পত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাধা দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে। এর আগে ওই বৃদ্ধের প্রবাসী ছেলে রাসেল ছুটিতে বাড়িতে আসলে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় বৃদ্ধ মালেক বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তবে এখনো কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।  ভুক্তভোগী আবদুল মালেক সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর গ্রামের উত্তর পালের বাড়ির বাসিন্দা। অভিযুক্তরা হলেন, একই বাড়ির আলী আকবর খোকন, আবদুল্লাহ মন্টু, ইকবাল হোসেন কাজল, আয়েশা আক্তার লিজ্জা, জহুরা বেগমসহ আরো কয়েকজন। এর আগে একই এলাকার বাসিন্দা জাবেদ কাউসার ও সবুজ ওই প্রবাসীর ওপর হামলা চালায়।
ভুক্তভোগী আবদুল মালেক ও তার পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি পরিবার নিয়ে ঢাকায় ও তার সন্তানেরা প্রবাসে চাকুরি করছেন। গ্রামের বাড়ির সম্পত্তিগুলো বাঁশের খুটি দিয়ে ভোগ দখল করে আসছেন। তাঁর বসতঘরের পাশে পুকুর পাড়ে আম গাছের ঢাল কাটতে গেলে একই বাড়ির খোকনসহ কয়েকজন বাধা দেন। পরে তিনি জমি পরিমাপ করে নির্দিষ্টস্থানে সীমানা খুঁটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। জমি পরিমাপের একপর্যায়ে ক্ষীপ্ত হয়ে অভিযুক্তদের ভাগিনা জাবেদ কাউসার ও স্বজন সবুজ লোকজন নিয়ে তাঁর ছেলে প্রবাসী রাসেলকে মারধর ও হত্যার উদ্দেশ্যে চুরিকাঘাত করে। এঘটনায় প্রবাসীর বাবা মালেক চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ জমির বিরোধ মেটাতে উভয়পক্ষকে কাগজপত্র মোতাবেক স্থানীয়ভাবে সমাধানের পরামর্শ দেন। স্থানীয় জমিপরিমাপক ও উভয়পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে পুনরায় সপ্তাহব্যাপী জমি পরিমাপ করে পুনরায় সীমানা খুঁটি স্থাপন করা হয়। এতে আবদুল মালেক অভিযুক্তদের কাছে উল্টো জমি আরো পাওনা হন। এসময় খুঁটি অনুসারে আবদুল মালেক পাকা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে পুনরায় বাধা দেয় অভিযুক্তরা। এদিকে আবদুল মালেকের প্রবাসী ছেলে রাসেল ছুটি শেষ হওয়ায় প্রবাসে চলে গেলেও রাসেল ও তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রাণি করার হুমকি দিচ্ছে অভিযুক্তরা, এমনটিই দাবি ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের।
জমি পরিমাপক মো: সফি বলেন, আবদুল মালেকের সম্পত্তি পরিমাপ করে খুঁটি স্থাপন করা হয়। পরে আবদুল মালেকের ছেলের সাথে ওই বাড়ির কয়েকজনের বাকবিতন্ডা হলে থানায় মামলাও হয়। পরে আবারো জমি পুনরায় উভয়পক্ষের লোকজনের উপস্থিতিতে পরিমাপ করে খুঁটি দেয়া হয়। এসময় আবদুল মালেক উল্টো আরো জমি পাওনা হন। পরে জানতে পারি, মালেক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে ওই বাড়ির কয়েকজন আবারো বাধা দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের আত্নীয় আবদুর রহিমের (০১৭২৮-###৩৯২) ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। আবদুল মালেকের প্রবাসী ছেলে রাসেল বলেন, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। একই বাড়ির বাসিন্দারা তুচ্ছ ঘটনায় এতটা অমানবিক হবেন তিনি কল্পনাও করেননি। শান্তি শৃঙ্খলার স্বার্থে জমির মালিকানাস্বত্ত্ব অনুযায়ী তিনি সীমানা প্রাচীর নির্মাণে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসির ব্যবহৃত মোবাইলেও ফোন করে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয়রা বলছেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হলেও সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাধা দেয়াটা অযৌক্তিক।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com