1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন

শীত উপেক্ষা করে বোরো ধান আবাদ

মোঃএমরুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

বরাবরের মতো তীব্র শীত অপেক্ষা করে নরসিংদীর মনোহরদীতে বোরো ধান আবাদ করছেন কৃষকরা।জমিতে সেচ,হালচাষ,সার প্রয়োগ,বীজ উঠানো ও প্রস্তুতকৃত জমিতে ধানের চারা রোপণে কর্মতৎপরতা শুরু করেছেন নরসিংদীর মনোহরদীর কৃষকরা।সকালের কুঁয়াশা ঢাকা শীত উপেক্ষা করে সন্ধ্যা অবধি বোরো জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে,কৃষকেরা পাওয়ার টিলার,ট্রাক্টর ও মইয়ের সাথে কলাগাছ জুড়ে জমি আবাদের উপযোগী করছে।কেউ কেউ জমিতে কোদাল দিয়ে আইল ছাঁটছেন আবার কেউ কেউ জমিতে জৈব সার দিতে ব্যস্ত রয়েছেন।পরিপূর্ণ শীতে মাঘ মাসের শুরু থেকেই মনোহরদী অঞ্চলে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ করা হয়ে থাকে।গত আমন ধানের দাম ভালো পাওয়ায় প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করেই ভালো দাম পাওয়ার আশায় আল্লাহর উপর ভরসা করে কৃষকেরা জমি তৈরীসহ নানা কার্যক্রম শুরু করেছেন।খিদিরপুর অঞ্চলের কৃষক লাল মিয়া জানান,বোরো ধান রোপণে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হয়।তিন-চার দিন পরপর সেচ দিয়ে পানি দিতে হয়।আশা করা যায় বোরো ভালো আবাদ হলে কৃষকেরা লাভবান হতে পারবে।

মনোহরদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে,এ বছর উপজেলায় ইরি-বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৪৮ হেক্টর জমিতে।যা গত বছরের চেয়ে ২৮ হেক্টর বেশী।অনুকূল আবহাওয়া থাকলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৮ হাজার ১২০ মেট্রিক টন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুনা আক্তার জানান,লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৬০ ভাগ জমিতে বোরো আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৫/২০ দিনের মধ্যে বাকী আবাদ সম্পন্ন হবে।গত আমনের উৎপাদন ভালো হওয়ায় এবং পাশাপাশি উৎপাদিত ফসলের বাজার মূল্য ভালো পাওয়ায় এবার কৃষকেরা উৎসাহ নিয়ে বোরো আবাদ শুরু করেছেন।উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক কৃষকদের বোরো চারা রোপণ করাসহ বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।শীতের কারণে ফসল ও বীজতলার তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।তাই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে প্রভাব পড়ারও সম্ভাবনা নেই বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com