1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পুলিশ-জনগণের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মানসম্মত শিক্ষা দিতে আমরা ব্যর্থ: শিক্ষামন্ত্রী আড়ালে থেকেও যুদ্ধে সক্রিয় মোজতবা খামেনি প্রণয় ভার্মার সঙ্গে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের সাক্ষাৎ, তিস্তা চুক্তি ও ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর দাবি কুশিয়ারা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি জামালপুরে ১৬ বছর বয়সী কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিন যুবকের মৃত্যুদন্ড মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ইচ্ছার প্রতিফলন ঈশ্বরদীর আবহাওয়া অফিস কাগজে-কলমে আধুনিক, বাস্তবে অচল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার হেরোইন ব্যবসায়ী মুকুলকে গ্রেফতার করেছে পাটগ্রাম থানা পুলিশ। অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে খোলপেটুয়া নদীতে রাতে অভিযান

হুমকি দিয়ে পরদিন আ’লীগ নেতার নেতৃত্বে চিংড়িঘেরের মাছ লুট।

খান জাহিদ ইকবাল
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৯৮ বার পড়া হয়েছে
Oplus_131072
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হুমকি দেওয়ার একদিন পর আওয়ামী লীগ নেতার নেতৃত্বে একটি চিংড়িঘের থেকে মাছ লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভৈরবনগর মৌজায় গোলাম আজম নামের এক ব্যবসায়ী ২০১৫ সাল থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে চিংড়িঘের পরিচালনা করে আসছেন। তিনি স্থানীয় রফিকুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলামের কাছ থেকে চার বছরের অগ্রিম অর্থ পরিশোধ করে ঘেরটি পরিচালনা করছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গত ১৩ এপ্রিল স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আহাদ আলীর ছেলে রাশিদুল ও সিরাজুল তাকে মাছ লুটের হুমকি দেন। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শ্যামনগর থানায় লিখিতভাবে অবহিত করেন।
এরপর সোমবার হুমকির পর মঙ্গলবার (পহেলা বৈশাখের দিন) সকালবেলা এলাকার উৎসবের ব্যস্ততার সুযোগ নিয়ে আহাদ আলী ও তার তিন ছেলে—রাশিদুল, শহিদুল ও সিরাজুল—দলবলসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘেরে প্রবেশ করে ব্যাপক লুটপাট চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পুনরায় শ্যামনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আহাদ আলী বলেন, “আমি আগে রাজনীতি করলেও বর্তমানে কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় আগেই গোলাম আজমকে সেখানে ঘের না করতে বলা হয়েছিল। তিনি কথা না শোনায় আমিও কিছু মাছ ছেড়েছিলাম এবং আটল দিয়ে কিছু মাছ ধরেছি।”
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com