1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ৫ সংরক্ষিত নারী আসন: ইসির কাছে মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থীরা মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার

আল্লামা সাঈদী হত্যার বিচার হবেই হবে সেটা দাঁড়ি পাল্লায় ভোটের মাধ্যমে -মাসুদ সাঈদী

কামরুল আহসান (সোহাগ)
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুর -১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী,শহীদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী (রহ.) এর সুযোগ্য পুত্র, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা মাসুদ সাঈদী বলেছেন,”আমার পিতা শহীদ আল্লামা সাঈদী কে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট খুনি হাসিনা বিনা অপরাধে,মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ ১৩ টি বছর জেলখানার অন্ধকারে আটকে রেখে বিনা চিকিৎসায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে,আমরা এই হত্যার বিচার চাই। আল্লামা সাঈদী হত্যার বিচার এই বাংলার মাটিতে হবেই হবে, সেটা ইসলামের বিজয় এর মাধ্যমে, দাঁড়িপাল্লায় ভোটের মাধ্যমে।”
রবিবার (১৪সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টা থেকে দিনব্যাপী পিরোজপুরের ইন্দুরকানী (জিয়ানগর) উপজেলাধীন ৫ নং চন্ডিপুর ইউনিয়নে গণ সংযোগ,মতবিনিময় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,আমার পিতা
১০টি বছর সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও ১৯৯৬ – ২০০১ সালে আওয়ামী শাসনামলে সরকার তার অনুকূলে না থাকায় তিনি তেমন উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারেননি। ২০০১ – ২০০৬ সালে চারদলীয় ঐক্য জোটের আমলে তিনি পিরোজপুর নাজিরপুর সহ অএ জিয়ানগর উপজেলায় ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করেছিলেন, যা অন্য কোন সংসদ সদস্য পারেননি। অবহেলিত ইন্দুরকানীকে জিয়ানগর উপজেলায় রূপান্তর করে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা,ব্রিজ,হাসপাতাল রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সকল স্তরে ব্যাপক উন্নয়নের জোয়ার বইয়েছিলেন। তিনি হাজার হাজার কোটি টাকার কাজ করিয়েও কখনো একটি টাকা দুর্নীতি বা অনিয়ম করেননি, নিজেকে সবসময় দুর্নীতিমুক্ত রেখেছিলেন। সৎ, আদর্শ হিসেবে তিনি নিজেকে ধরে রেখেছিলেন।
আমি অত্র উপজেলায় আওয়ামী শাসনামলে দীর্ঘ পাঁচটি বছর সফলভাবে উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছি। আমি আল্লামা সাঈদী পুত্র হিসেবে নিজেকে সবসময় আমার বাবার ও ন্যায়নীতির পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলেছি। কখনো নিজে স্বজনপ্রীতি বা নিজে লাভবানের চিন্তা করিনি,আমার বাবাও করেননি। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো সৎ ভাবে জীবন যাপন করে যাব। অসৎ বা দুর্নীতির আশ্রয় নিলে আমাদের অবস্থা হাসিনার মন্ত্রী এমপিদের মত হতো। দুর্নীতি করলে আপনাদের সামনে এভাবে উচ্চস্বরে কথা বা ভোটের দাবি করতে পারতাম না।
তিনি উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন,পিরোজপুর থেকে আপনাদের এই চন্ডিপুর, সন্ন্যাসী,-কলারন খেয়া ঘাটে আসার পথে দেখতে পেলাম রাস্তাঘাটের বেহালদশা, মানুষের দুর্দশা। এই এলাকায় এখনো অনেক কাঁচা রাস্তা আছে কার্পেটিং রাস্তা থাকলেও তা আমার বাবার আমলে করা। আল্লামা সাঈদীর নিজ উপজেলা বিধায় সব সময় আওয়ামী সরকারের এমপিরা অএ উপজেলাকে উন্নয়ন বঞ্চিত করে রেখেছিলেন। কোন উন্নয়নের প্রসার ঘটাননি। দুই একটি কাজ হলেও তা নিম্নমানের ও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আপনারা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিয়ে আমাকে এমপি নির্বাচিত করলে আমি আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হব, আমার পিতার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতে পারবো ইনশাল্লাহ।
চন্ডিপুর ইউনিয়নে দিনব্যাপী গণসংযোগ মতবিনিময় ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অন্যানের মধ্যে তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিয়ানগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মো. তৌহিদুর রহমান রাতুল, চন্ডিপুর ইউনিয়ন জামায়াতে আমির,মাওলানা সরোয়ার হোসেন মোল্লা, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম, ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি কে, এম রাহাতুল ইসলাম সহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com