1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের এমপি আমির হামজা আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প

ইজিবাইক ও অটোরিকশা মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ করলেন,সড়ক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪
  • ৫৫২ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর-টাঙ্গাইল ও গাজীপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং ঢাকা-জয়দেবপুর সড়কে আইন মানছেন না নিষিদ্ধ যানবাহনের চালক ও ফুটপাতের দোকান ব্যবসায়ীরা। এসব বিষয় নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে।লোকবল কম থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ।এদিকে গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায়।গাজীপুর-টাঙ্গাইল এবং গাজীপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের একই অবস্থা।তাকওয়া পরিবহন, পলাশ পরিবহন এবং কালিয়াকৈর পরিবহনসহ বিভিন্ন বাস মহাসড়কের মাঝেই থামিয়ে লোকজন উঠানামা করায়। ফলে প্রায় সব সময় যানজট লেগে থাকে।

এছাড়াও উল্টো পথে চলাচল করে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা। যা মহাসড়কের চলাচল নিষিদ্ধ। কিন্তু অদৃশ্য কারণে পুলিশ এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে জোরালো কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। ফলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মহাসড়কে চলাচল নিষিদ্ধ এসব যানবাহন। তবে স্থানীয়দের দাবি পুলিশ চাইলে যেকোনো মুহূর্তে গাজীপুরের সড়ক- মহাসড়কগুলোর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারে। এতে হাজার হাজার মানুষের দুর্ভোগ ভোগান্তিও থাকবেনা।এদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা, শ্রীপুর উপজেলা এবং সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাজীপুর- টাঙ্গাইল এবং গাজীপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবাধে চলছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। পুলিশ প্রশাসন কঠোর না হওয়ায় এসব যানবাহন উল্টো পথে চলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করে। এছাড়া এসব উপজেলার সফিপুর বাজার মৌচাক, চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, মাওনা চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় মহাসড়ক এবং ফুটপাত দখল করে বসে দোকানপাট।পুলিশ চাইলে গাজীপুর-টাঙ্গাইল এবং গাজীপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

এর উদাহরণ হিসেবে রয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের সাবেক পুলিশ কমিশনার মোল্লা নজরুল ইসলাম। তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গাজীপুরের এই মহাসড়ক দুইটি যানজট মুক্ত ছিল। ছিল মহাসড়কে শৃঙ্খলা। মানুষ অবাধে বিভিন্ন যানবাহনে এবং হেঁটে চলাচল করতো মহাসড়ক দুটোতে। এ নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল, পত্রিকা এবং টেলিভিশনে ব্যাপক নিউজ প্রকাশ হয়। এখন মহাসড়ক দুটি আরও উন্নত হয়েছে। ফলে কোনোভাবেই যানজট থাকার কথা না। অথচ মহাসড়ক দিয়ে মানুষ হেঁটে চলাচল করতে পারে না ফুটপাত দখলের কারণে। পুলিশ প্রশাসনের জোরালো ভূমিকা না থাকায় আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হচ্ছে।গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা আহমদ আলী জানান, অবৈধভাবে ফুটপাতে বসানোর বিভিন্ন দোকানের কারণে হেঁটে চলাচল করা যায় না। এছাড়াও গাজীপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবৈধভাবে চলে হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা-ইজিবাইক। ফলে সবসময় যানজট লেগে থাকে। এসব যানবাহন অতিরিক্ত গতিতে চলায় দুর্ঘটনাও ঘটছে। এসব যানবাহনের কারণে মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। মহাসড়কে যেন অবৈধ যানবাহনের রাজত্ব চলছে। প্রশাসন এসব নিয়ন্ত্রণ করছেন না।আরিফ হোসেন নামে এক বাসিন্দা বলেন, মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ। এরপরও কিভাবে চলে ? এসব যানবাহন চলাচল বৈধ করুক অথবা একেবারেই বন্ধ করা হোক। যেহেতু এসব মহাসড়কের চলাচল নিষিদ্ধ এরপরেও চলছে। এছাড়াও ফুটপাত দখল করে বিভিন্ন দোকানপাট করছে ব্যবসায়ীরা। এখানে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি আছে। পুলিশ এসব নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে।

নাকি পুলিশ অন্য কোনো সুবিধা পাচ্ছে অটোরিকশা চালক ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ? এভাবে চলতে থাকলে এক সময় পুলিশের ওপর মানুষের আস্থা উঠে যাবে। মহাসড়কে আইনের শাসন বাস্তবায়ন করা হোক এটাই আমাদের দাবি।এ ব্যাপারে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের উপ-কমিশনার (ডিসি-ট্রাফিক) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, অটোরিকশার চাহিদা আছে। অটো বন্ধ করলে মানুষ বলবে আমরা যাবো কীভাবে। এসব অটোরিকশা দিয়ে আমজনতা চলাচল করে। বিকল্প ব্যবস্থা করে এসব বন্ধ করতে হবে। রাস্তার মাঝখানে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামার ব্যাপারে তিনি বলেন, বাস তো দাঁড়াবেই লোকজন উঠবে, নামবে। আমাদের দেশের রাস্তার ডিজাইনগুলো এমনভাবে করা হয় যে কোনো বাসস্ট্যান্ড করা হয় না।  ওঠানামার ব্যাপারে তিনি বলেন, বাস তো দাঁড়াবেই লোকজন উঠবে, নামবে। আমাদের দেশের রাস্তার ডিজাইনগুলো এমনভাবে করা হয় যে কোনো বাসস্ট্যান্ড করা হয় না। গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) নাজমুস সাকিব খাঁন বলেন, মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ।

গাজীপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মৌচাক সফিপুর চন্দ্রা এলাকা দিয়ে সার্ভিস লেন আছে। সেখান দিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করবে। কিন্তু সার্ভিস লেনগুলো বিভিন্ন স্থানে কাটা। ফলে এসব ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মহাসড়কে ঢুকে পড়ে। আমাদের এত লোকবল নেই, যে তাদের পাহারা দিয়ে রাখতে পারি। তবে সার্ভিস লেনের বিষয়ে সড়ক ও জনপদের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে।গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা-ইজিবাইক চলাচল নিষিদ্ধ থাকলেও তা চলাচল করছে। আমরা আইনগতভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এসব যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। তবে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের একার পক্ষে সম্ভব না, সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com