1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

ইবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ: সাজিদ হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও আওয়ামী দোসর শিক্ষকদের বিচারের দাবি

মিজানুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে খুনীদের দ্রুত গ্রেফতার ও আওয়ামী দোসর শিক্ষকদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ইবি শাখা।বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবন থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসন ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সাহেদ আহম্মেদ ও সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আনারুল ইসলাম ও আহসান হাবিব, সদস্য রাফিজ আহমেদ, নূর উদ্দিন, সাক্ষরসহ কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রদলের নেতারা। এছাড়া রনি, রোকন, তৌহিদ, রিফাত, তাপসসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তারা নানা ধরনের স্লোগান দেয়

“জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ – জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জিন্দাবাদ।”

“ফ্যাসিস্টদের ঠিকানা -এই ক্যাম্পাসে হবে না।”

“আওয়ামী লীগের ঠিকানা – এই ক্যাম্পাসে হবে।”

আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে?”

“উই ওয়ান্ট, উই ওয়ান্ট – জাস্টিস, জাস্টিস।”

বিচার বিচার,বিচার চাই-সাজিদ হত্যার বিচার চাই।

সমাবেশে আহ্বায়ক সাহেদ আহমেদ বলেন, “সাজিদ হত্যার ঘটনায় কুষ্টিয়ার এসপি ও ইবি থানার ওসির সাথে কথা বলেছি। তারা বলেছেন তদন্ত দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। আমরা চাই আরও দ্রুততার সাথে খুনীদের গ্রেফতার করা হোক। বর্তমানে ১৮ হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনিরাপদ বোধ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বলছি, নিরাপত্তা জোরদার করুন– সিসি ক্যামেরা স্থাপন, লাইট বৃদ্ধি ও টহল বাড়ানো জরুরি। একইসাথে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৫ আগস্টের আগে যারা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে গ্রেফতার করিয়েছে, সেই শিক্ষকদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে।”

সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, “আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৭ বছর এই ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণ করেছে। তাদের দোসর শিক্ষকদের এখনো সনাক্ত করে শাস্তি দেওয়া হয়নি। যদিও ১৯ জনকে শোকজ করা হয়েছে, কিন্তু এর বাইরেও অনেকে আছেন যারা ছাত্রলীগকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। আমাদের পরীক্ষা দেওয়ার সময়ও তারা ছাত্রলীগ ও পুলিশের হাতে তুলে দিতেন। অথচ এখনো তারা চাকরিতে বহাল রয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “অনতিবিলম্বে এসব শিক্ষকদের বহিষ্কার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com