1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

একদিনে কুকুর-বিড়ালের কামড়ে শতাধিক রোগী

ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরে কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে শতাধিক মানুষের আহতের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা সদর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে কুকুর-বিড়ালের কামড় ও আঁচড়ে আহত হন তারা।

আহত রোগীদের মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়েছেন মোহাম্মদ পাটওয়ারী (১৫ মাস), মো. মুয়াজ (১৬), আবির (আড়াই বছর), আব্দুর রহিম (৫৫), রহিমা খাতুন (৩০), রিনা আক্তার (২৯), শামছুন নাহার (৪৫), মিতু (২৩), ফরহাদ (৮), হোসনেয়ারা (৩৫), রিহান মাহমুদ (৬) ও সাব্বির আহমেদসহ (১৮) শতাধিক রোগী। গত ৪ দিনে কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে দুই শতাধিক রোগীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের শাকচর গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মামুনুর রশিদ পাটওয়ারী তার ১৫ মাস বয়সী ছেলে মোহাম্মদ পাটওয়ারীকে হাসপাতালে এনে কুকুরে কামড়ের ভ্যাকসিন দিয়েছেন। মোহাম্মদের হাতে পাগলা কুকুরে কামড় দিয়েছে বলে জানান তিনি।

চররুহিতা ইউনিয়নের চররুহিতা গ্রামের বতু মিঝির বাড়িতে ৩৫ বছর বয়সী হোসনেয়ারা বেগমের গালে কামড় দেয় কুকুর৷ তিনি বলেন, আমি মোবাইল ফোনে বিদেশে আমার স্বামীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। হঠাৎ করে একটি কুকুর এসে আমার গালে কামড় দেয়। রক্তাক্ত জখম হয়েছে।বিড়ালের কামড়ে আহত লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সমসেরাবাদ এলাকার ১৮ বছর বয়সী সাব্বির আহমেদ হাসপাতাল এসে ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তিনি বলেন, বিড়াল নিয়ে দুষ্টামি করছিলাম। এরমধ্যেই বিড়াল আমার হাতের আঙ্গুলে কামড় দেয়। কোনো সমস্যা হয় কি না, এনিয়ে ভয় লাগছে। এজন্য হাসপাতালে এসে ভ্যাকসিন নিয়েছি।

কুশাখালী ইউনিয়নের ঝাউডগি গ্রামে বাড়ির সামনে খেলতে গেলে ফরহাদকে কুকুর কামড় দেয়। তাকে ভ্যাকসিন দিতে নিয়ে এসেছেন তার বাবা আনোয়ার হোসেন। কয়েকদিন আগে আনোয়ারকেও কুকুরে কামড় দিয়েছে বলে জানা গেছে।

চররমনী মোহন ইউনিয়নের করাতির হাট বাজারের ফার্মাসিস্ট জহিরুল ইসলাম বলেন, এলাকায় প্রচুর রোগী রয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে যেতে বলেছি। হঠাৎ করে কুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে।ভ্যাকসিন প্রদানকারী সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স আব্দুর রব বলেন, সকাল থেকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি। বিপুল সংখ্যক রোগী এসেছে। এখনো হিসাব করতে পারিনি। রোগীদের হাত-পিঠ ও গালসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে কুকুর-বিড়ালের কামড়ের দাগ রয়েছে।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আরমান হোসেন, কুকুর ও বিড়ালের কামড়ে সকাল থেকে শতাধিক রোগী এসেছে। তাদের সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। কুকুর-বিড়াল থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) আনোয়ার হোসেন বলেন, কুকুর ও বিড়ালের কামড়ের রোগীর চাপ বেড়ে গেছে। শাকচর, চররুহিতা ও হামছাদী এলাকা থেকে রোগী বেশি এসেছে। পাগলা কুকুরের কামড় থেকে রক্ষা পেতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর কুকুরের ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান রেখেছেন বলে শুনেছি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com