1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

কবিরহাট উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর সংবাদ সম্মেলন

একেএম ইকবাল
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে
 উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র সংবাদ সম্মেলন উনষ্ঠিত হয়, এতে কবিরহাট বাজার প্রধান সড়কসহ উপজেলার সমস্যাগুলো তুলে ধরে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তারা বলেন, কবিরহাট বাজার, জনতা বাজার, চাপরাশিরহাট থেকে মন্ডলীয়া বাজার এবং ওটারহাট থেকে কালামিয়ার পোল পর্যন্ত সড়কের অবস্থা বিপদজ্জনক। তাছাড়া পৌরসভা এবং ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ সড়ক সমূহের অবস্থা আরও নাজুক। এলাকাবাসী প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সমস্ত রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং:
প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কৃষিকাজ, ছোট ব্যবসা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সামান্য প্রাকৃতিক দূর্যোগে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় থাকতে হয়। বিদ্যুতের খুটি না সরিয়ে রাস্তার কাজ চলমান থাকায় জন-জীবন ব্যাপক হুমকীর সম্মুখিন হচ্ছে। এক কথায় কবিরহাট উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ অপ্রতুল হওয়ায় নিয়মিত লোড শেডিং জনগণের সহ্য সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন ৪/৫ ঘন্টা লোভশেডিং থাকলেও বিদ্যুৎ বিলের কিন্তু কমতি নেই। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার। পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের এই দূর্বল সার্ভিস দেখে ফ্যাসিবাদী ও আওয়ামী দুঃশাসনের ধারাবাহিকতায় যেন চলমান রয়েছে।
জলাবদ্ধতা:
কবিরহাট উপজেলার অধিকাংশ এলাকা গত বছরের ন্যায় এই বছরও প্রায় ০২ মাস পর্যন্ত পানির নিচে অবস্থান করছে। দীর্ঘদিন ধরে নোয়াখালী খাল পূর্ব ও তার প্রকৃত নকশা অনুযায়ী খনন না করায় খালের প্রসস্থতা হারানো, পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক ব্যবস্থা না থাকায় এবং নোয়াখালী খালের সংযোগ খালসমূহ দীর্ঘদিন যাবত খননের অভাব, অবৈধ দখলদার মুক্ত না করা, ক্ষমতাশালী দুর্নীতিবাজদের ব্যক্তি স্বার্থে অবৈধভাবে খাল দখল করে নিজস্ব মৎস চাষ এবং ঘর-বাড়ী নির্মাণ করার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই অত্র এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে মানুষের জীবন যাপন মারাত্মক ভাবে ব্যহত হচ্ছে এবং নানান ধরনের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। বাজার সমূহে সঠিক এবং পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির সময় ব্যবসায়ী এবং জনসাধারণকে নানান সমস্যার সম্মুখিন হতে হচ্ছে।
পানীয় জলের সংকট:
গভীর নলকূপ বা বিশুদ্ধ পানির উৎস নেই বহু এলাকায়। অনেক মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের জনগণ গ্রীষ্মমৌসুমে দীর্ঘসময় ধরে খাবার ও ব্যবহারের পানির তীব্র সংকটের শিকার হয়ে দূর্বিসহ জীবন-যাপনে বাধ্য হচ্ছেন।
চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থার দুরাবস্থা:
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ইউনিয়ন কমিউনিটি হেলথ্ ক্লিনিক সমূহে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় জনসাধারণ কাঙ্খিত মানের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাছাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সমূহে অধিকাংশ সময়-ই অপরিচ্ছন্ন থাকায় সেবা নিতে আসা রোগী এবং তাদের আত্মীয় স্বজনদেরকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে।
দুর্নীতি ও দলীয়করণের মাধ্যমে উন্নয়ন বঞ্চনা:
যেসব উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে, সেগুলো দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণে টেকসই হচ্ছে না। প্রকল্পের নামে টাকা লুটপাট হওয়ায় জনসাধারণ তার নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাজেটকৃত প্রকল্প সমূহের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি, উদাশীনতা, দায়িত্বহীনতা, নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার এবং যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় জনদুর্ভোগ দিন দিন বেড়েই চলছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনে করে, এসব সমস্যা শুধু অব্যবস্থাপনার নয়, এটি একটি চরম অবহেলার ফল। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় চলা প্রশাসন যদি জনগণের কল্যাণে কাজ না করে, তবে তা চরম দায়িত্বহীনতা পরিচয়ই বহন করে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com