“রাখিব চারিপাশ পরিষ্কার, করিব ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিকার”—এই দূরদর্শী ও সচেতনতামূলক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধ এবং বাহক মশার প্রজননস্থল বিনষ্টের লক্ষ্যে এক ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং কেন্দুয়া পৌরসভা ও স্থানীয় উদীয়মান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘N1 কেন্দুয়া’র যৌথ সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে অত্যন্ত জাকজমকপূর্ণ ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ পরিচ্ছন্নতা अभियाানের সূচনা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গঠনের অপরিহার্যতা তুলে ধরে বলেন, “একটি সুন্দর, শিক্ষাবান্ধব ও সুস্থ আগামী প্রজন্ম এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক সচেতন নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে। পরিচ্ছন্নতা কেবল এক দিনের কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি বা লোকদেখানো উদ্যোগ নয়—এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নিয়মিত অভ্যাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক নৈতিক দায়িত্বের অংশ।” তিনি একটি জীবাণুমুক্ত, সুস্বাস্থ্যকর ও মডেল কেন্দুয়া গড়ে তোলার জন্য দল-মত নির্বিশেষে পৌরসভার সাধারণ জনগণ এবং সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক ও সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।
উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও পৌর নির্বাহী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ও উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন:
এছাড়াও বিশেষ এই উদ্বোধনী পর্বে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মঠ কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী যুবসমাজ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের পর পর এক সচেতনতামূলক পদযাত্রা বের হয়। দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় এডিস ও অ্যালবোপিকটাস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল, নালা-নর্দমা ও জমে থাকা পানি পরিষ্কার করা হয়। একই সাথে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলের চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে বিশেষ লিফলেট বিতরণ ও মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।