1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

ঘূর্ণিঝড় আম্পানে খুলনা বিভাগের ১৩শ’ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে

প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে খুলনা বিভাগের ১২শ’ ৯৯টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৯৪৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক মেহেরুন নেছা জানান, আম্পানের আঘাতে খুলনা বিভাগের ৩৫২টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার টাকা থেকে দুই লাখের ওপরে আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অগ্রাধিকার-ভিত্তিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানানো হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে রয়েছে খুলনায় ২৯টি, বাগেরহাটে ৭টি, সাতক্ষীরায় ১৪৬টি, যশোরে ৬১টি, ঝিনাইদহে ৩৮টি, কুষ্টিয়ায় ৭টি, নড়াইলে ১৩টি, চুয়াডাঙ্গায় ১১টি, মাগুরায় ৮টি ও মেহেরপুরে ১২টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক নিভারানী পাঠক বলেন, ‘আম্পানের আঘাতে খুলনা বিভাগের সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৯৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জেলা থেকে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ৯৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১২ কোটি ১৮ লাখ ৮৭ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর মধ্যে খুলনার ৬৪টি স্কুলে এক কোট ১৭ লাখ ৮ হাজার টাকা, বাগেরহাটের ১৫৭টি স্কুলে এক কোটি ৭২ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, সাতক্ষীরার ২৪১টি স্কুলে দুই কোটি ৭৫ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, যশোরের ৩১২টি স্কুলে চার কোটি ৮২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, চুয়াডাঙ্গায় ৬১টি স্কুলে ৯৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ঝিনাইদহের ৫১টি স্কুলে এক লাখ ৮১ হাজার টাকা, কুষ্টিয়ায় ৬টি স্কুলে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মাগুরায় ২১টি স্কুলে ৩৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, নড়াইলের ৩টি স্কুলে ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেহেরপুরে ৩১টি স্কুলে ২ কোটি ৫০ লাখ ৯ হাজার টাকা ক্ষতি নিরুপণ করা হয়েছে।

খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এস এম সিরাজুদ্যোহা বলেন, ‘আম্পানের আঘাতে খুলনার কয়রায় ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, খুলনা সদরে ২টি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, ডুমুরিয়ায় একটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত, তেরখাদায় একটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, দাকোপে ৩টি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত ও ৪টি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, পাইকগাছায় ১৪টি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত, বটিয়াঘাটায় একটি অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন বলেন, ‘খুলনা জেলার কয়রায় ১৫টি স্কুলে প্রায় ১৯ লাখ টাকা, তেরখাদার ২টি স্কুলে ৪ লাখ টাকা, ডুমুরিয়ার ৪টি স্কুলে সাড়ে ১২ লাখ টাকা, পাইকগাছার ৫টি স্কুলে ২৩ লাখ টাকা, রূপসার ২টি স্কুলে আড়াই লাখ টাকা, বটিয়াঘাটার ৭টি স্কুলে ১৮ লাখ টাকা, ফুলতলার ১২টি স্কুলে ২৯ লাখ টাকা, দাকোপের ৪টি স্কুলে সোয়া লাখ টাকা, দিঘলিয়ার ১২টি স্কুলে ১৩ লাখ টাকা এবং খুলনা সদরের ৩টি স্কুলে এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

উল্লেখ্য, খুলনা বিভাগে প্রাথমিকে ৮ হাজার ১৬৭টি ও মাধ্যমিক পর্যায়ে দুই হাজার ৬২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com