1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

ঝালকাঠি -১ রাজাপুর কাঁঠালিয়া আসনকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চান সেলিম রেজা

ফাতিমা আক্তার মিম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে
স্বৈরাচার সরকারের বিগত ১৭ বছরে দলের দুর্দিনে যিনি ছিলেন অকুতোভয় কান্ডারী হয়ে দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন নিরলসভাবে।  যুক্তরাষ্ট্র  সহ কাঠালিয়া রাজাপুর  থেকে প্রতিনিয়ত খোঁজ নিতেন দলীয় নেতাকর্মীদের, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতনের কালো সময়ে যখন বিএনপির হাজারো নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার ও নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়েছে।তখন একজন মানুষ ছিলেন ঝালকাঠি -১সেই মানুষটি হলেন মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা গণমানুষের নেতা -সভাপতি যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্ক মহানগর  দক্ষিণ বিএনপির।
মিথ্যা মামলার  পরিবারের দায়িত্ব নিতেন এমনকি ওই মামলার ব্যায় সম্পূর্ণ খরচ তিনি দিয়েছেন। তিনি রাজনীতি করে আদর্শকে কেন্দ্র করে, দলের প্রতি, মানুষের প্রতি, দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আগেও কাজ করেছেন এমনকি বর্তমানে ও ভবিষ্যতেও তিনি রাজাপুর কাঁঠালিয়া  উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলা। তাঁর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা।  তিনি মনে করেন যে রাজনীতির আসল শক্তি মানুষ, নেতাকর্মী, এবং এলাকার প্রতিটি নাগরিক। যোগ্য নেতৃত্ব চাই, ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন চাই বিচার ও সুশাসন চাই উন্নয়ন ও মানবিকতা চাই একটি নেতৃত্ব গড়ে তুলি, যেখানে ত্যাগীর মূল্য আছে, যেখানে কর্মীর সম্মান আছে, যেখানে উন্নয়নের পাশাপাশি আছে মানবিকতা।  তাই আসুন, তরুণ প্রজন্ম এক হয়ে বলি “প্রথম ভোট দেবো তাকে, যে দেশ গড়তে চায় সৎ থেকে”ভোট দিন ধানের শীষে, এগিয়ে যাক ঝালকাঠি -১।আমি চাই — আপনার দোয়া, আপনার সহযোগিতা, এবং আপনার বিশ্বাস।  তাই তার মতো স্বচ্ছ চরিত্রের, ক্লিন ইমেজের নেতা এ অঞ্চলে আর কেউ নেই।একটা পরিবার কেউ দেখাতে পারবে না যে আমার দ্বারা কারো কোন সামান্যটুকু ক্ষতি হয়েছে। আমি আরো সব সময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করি তাদেরকে অভয় দেই যাতে তারা কোন সমস্যা হলে আমাকে জানায়। যাতে আমরা দলীয়ভাবে তাদের সহযোগিতা করতে পারি। অতিতীতে আমি অসংখ্য মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করেছি আগামীতেও যাতে আমরা সাহায্য সহযোগিতা করতে পারি সেজন্য আমাদের চেষ্টা আছে। দলের কর্মীদের ভালোবাসা, ত্যাগের মূল্যায়ন, ও আন্দোলন-সংগ্রামে তার অগ্রণী ভূমিকা অতুলনীয়। দলের দুঃসময়ে তিনি যেমন জনগণের পাশে থেকেছেন, তেমনি আজ রাজাপুর কাঁঠালিয়া  সাধারণ মানুষ তাকে আগামী দিনের এমপি হিসেবে দেখতে চায়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com