1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নারী-শিশু নির্যাতন থামছেই না, প্রতি মাসে গড়ে ১৭৭৮ মামলা ঢাকার ফুটপাতে একটা দোকান থাকলে মিজানেরটাও থাকতে হবে- এইটাই আমার চাওয়া নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৪৮ পয়সা ধরার প্রস্তাব, অযৌক্তিক দাবি ক্যাবের অক্টোবরের মধ্যে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হবে ‘মাদক সেবনে বাধা’ দেয়ায় হত্যা করা হয়: আরপিএমপি কমিশনার প্রথমবারের মতো টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ছয়ে বাংলাদেশ ইবিতে সিসিআরটিবি’র ক্যান্সার সচেতনতায় অ্যান্টিক্যান্সার ফল বিতরণ কর্মসূচি বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় প্রথমে শিক্ষককে, পরে বাকি ৩ জনকে হত্যা: পুলিশ ভারতীয় বার কাউন্সিল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৫০ কোটির দুর্নীতির অভিযোগ, পদত্যাগ দাবি

টুকরো টুকরো করে হত্যাকরার পর স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস,কে সজীব

মো:মামুন বিশ্বাস
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২০ বার পড়া হয়েছে

 স্বামীর লাশের গন্ধে আমার কিছু হবে না, তাকে দেখতে দেন :- কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীর চর থেকে ৯ টুকরাে লাশ উদ্ধার হওয়া মিলন হোসেন (২৭) হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা এস কে সজীব। তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ:সভাপতি (বহিষ্কৃত)। পাশাপাশি পুলিশের তালিকাভুক্ত কিশোর গ্যাং-প্রধান তিনি। এস কে সজীবের নেতৃত্বে কুষ্টিয়া শহরে একটি গ্যাং চলে। তার নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় ১৩-১৫ টি মামলা চলমান আছে। বর্তমানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি করছেন তিনি। তবে কোনো পদ-পদবি নেই। এস কে সজীব জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাতের (তুষার) সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেন।

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে আজ শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সদর উপজেলায় পদ্মা নদীর চর থেকে নিহত মিলন হোসেনের লাশের ৯ টুকরা চারটি স্থান থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, চাঁদার দাবিতে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এস কে সজীবের নেতৃত্বে হত্যাকাণ্ড ঘটে।

*পদ্মার চর থেকে যেভাবে উদ্ধার হলো যুবকের লাশের ৯ টুকরা: পুলিশ সূত্রে জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর এস কে সজীব শহরেই স্বাভাবিকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। পুলিশ তাঁকেসহ চারজনকে শহর থেকে আটক করে হেফাজতে নেয়। অন্য তিনজন হলেন সদর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের কান্তিনগর গ্রামের জহির রায়হান ওরফে বাবু, সদরের কুমারগাড়া এলাকার ফয়সাল আহমেদ, হাউজিং এলাকার ইফতি খান। ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এস কে সজীব কলেজে পড়ালেখা না করেও হঠাৎ করে ছাত্রলীগের পদ পেয়ে যান। ইয়াসির আরাফাত ও সাদ আহাম্মেদের নেতৃত্বাধীন কমিটিতে ২০১৭-১৮ সালের দিকে প্রথম সহ:সম্পাদকের পদ পান। তখন থেকেই শহরের হাউজিং এলাকায় কিশোর গ্যাং তৈরি করে এলাকায় চাঁদাবাজি, মারপিট, মাদকের কারবারসহ নানা অপকর্ম শুরু করেন। এরপরও নেতাদের সুপারিশে জেলা ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটিতে সহ:সভাপতির পদ পেয়ে যান তিনি। এরপর সজীব আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। শহরে প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়। জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জের ওপর হামলাসহ নানা অপকর্মের কারণে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। জেলা ছাত্রলীগের নেতারা জানান, ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে তুষারের হাত ধরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন সজীব। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচনী প্রচারণায়ও অংশ নেন। সেখানে তাঁকে বক্তব্য দিতে দেখা যায়। ওই মঞ্চে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত সহ অন্য নেতারাও ছিলেন। তখন সজীব মাইকে বলতে থাকে যে, ‘আগে আমি ছাত্রলীগ করতাম, এখন স্বেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতি করি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের একটি সূত্র জানায়, এস কে সজীবকে নেতারা নানা অপকর্মে ব্যবহার করেন। তাঁর ক্যাডার বাহিনী আছে। মিছিল-মিটিংয়ে কিশোরদের নিয়ে আসেন। আগে ছাত্রলীগ করলেও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটিতে তুষার সভাপতি হলে আবার তাঁর ছত্রচ্ছায়ায় নানা অপকর্ম করে আসছিলেন। সর্বশেষ শুক্রবার রাতেও তুষারের সঙ্গে কুষ্টিয়া পলিটেকনিকে একসঙ্গে ছিলেন। এরপরই তাঁকে আটক করে পুলিশ

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, এস কে সজীবের নাম সজীব শেখ। তাঁর বাবার নাম মিলন শেখ। শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার হরিবাসর এলাকায় তাঁদের বাড়ি। সজীবের নামে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মাদক, চাঁদাবাজি, হামলাসহ নানা অভিযোগে পুরোনো ১৩-১৫ টি মামলা আছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের মামলায় তাঁর দুই বছরের সাজাও হয়েছিল।

গত বছর শহরের পিটিআই রোডে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জকে গুরুতর আহত করা হয়। এর আগে শহরের সাদ্দাম বাজার এলাকা এক যুবককে ছুরিকাঘাত করার সময় তিনিও গুরুতর আহত হয়েছিলেন। ওই ঘটনায় মামলাও হয়েছে। এছাড়া শহরের হাউজিং এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলার একাধিক ঘটনা আছে। সেই সব ঘটনায় থানায় মামলাও হয়েছে।সর্বশেষ মিলন হোসেনকে অপহরণ ও হত্যার মিশনে নেতৃত্ব দেন সজীবসহ তাঁর ৫ সহযোগী। পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, হাউজিং এলাকায় তাঁদের একটি কার্যালয় আছে। সেখানে লোকজনকে ধরে এনে নির্যাতন করে চাঁদা আদায় করা হয়। শহরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তাঁর ওঠাবসা আছে। নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় ছবি তুলে তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com