1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

নরসিংদীতে দেওয়ানী আদালতে প্রথমবারের মত ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষ্য গ্রহণ অনুুষ্ঠিত

মোঃএমরুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই, ২০২৪
  • ৬৮৮ বার পড়া হয়েছে

নরসিংদী জজ কোর্টে দেওয়ানি আদালতে প্রথম বারের মতো ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার(৮ জুলাই) নরসিংদীর সিনিয়র সহকারী জজ মুনিয়া জাহিদ নিশা এর আদালত বিবাদী পক্ষের ২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলাটি যুক্তিতর্কের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেন বিচারক।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ করে স্মার্ট বিচার বিভাগের যাত্রায় নতুন মাত্রা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান, নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম রিপন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, নরসংদী জেলার পলাশ উপজেলার জনতা আদর্শ বিদ্যাপিঠের একজন অপসারণকৃত শিক্ষক ২০২১ সালে পলাশ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা করেন।

মামলার বাদীপক্ষের সাক্ষী গ্রহণ শেষ সোমবার বিবাদী পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ছিল।বিবাদীপক্ষের ১ জন সাক্ষী নারী হওয়ায় এবং অপর সাক্ষীর সেমিস্টার পরীক্ষা চলমান থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ কারণে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি জন্য আদালত “আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০” এর আলোকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলাটি যুক্তিতর্কের জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করেন বিচারক মুনিয়া জাহিদ নিশা।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী গোলাম মাসুম জানান, বিবাদী পক্ষের আইনজীবী এম. নাদিম হোসেন খান নাঈম বিবাদী পক্ষের ২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গ্রহণের জন্য আবেদন করেন। বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে হোয়াটসঅ্যাপ এর ভিডিও কলের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এসময় বাদী জেরা করেন এবং মামলাটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে।নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম রিপন বলেন, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ করায় মামলা জট কমবে এবং এতে মামলা সংশ্লিষ্ট জনগণ উপকৃত হবেন। এ পদ্ধতিতে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com