1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

নির্যাতনকারী পুলিশের শাস্তির দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি নেত্রী

মোঃ গোলাম জাকারিয়া
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৭০ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শাহনাজকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার ও নির্যাতনে পুলিশের উপর অভিযোগ করেছেন ভোলাহাট উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান । সোমবার ১৪ জুলাই এ অভিযোগ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপি র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহনাজ খাতুন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এক দম্পতির মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ২৮ জুন রাতে কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করে ভোলাহাট থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তার ওপর অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে ভোলাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ও সার্কেল অফিসার ইয়াসির আরাফাত। ভোলাহাট থেকে তাকে জেলা সদর পুলিশ ফাঁড়িতে এনে রাত এগারোটা থেকে পরের দিন বিকাল পর্যন্ত আয়না ঘরে আটকিয়ে রেখে নানাভাবে নির্যাতন চালাই। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি মোঃ মতিউর রহমান ও মহিলা ডাক্তারের উপর নানা অভিযোগ তুলে ধরেন সংবাদ সম্মেলনে। শাহনাজ খাতুন আর ও বলেন, পরেরদিন তাকে হাসপাতালে না নিয়ে বীনা চিকিৎসায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, তিনি ১০ জুলাই মুক্তি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি বলেন, পুলিশ তার গায়ে হাত দিয়েছেন। তবে এসব। অভিযোগ অস্বীকার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করীম বলেছেন, তাকে মহিলা পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার উপর কোন প্রকার শারীরিক নির্যাতন বা অসাধারণ করা হয় নি। তার এসব অপব্যাখ্যার কথা ভেবেই তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসা সনদ দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে ও বিতর্কে ফেলার ফেলার চেষ্টা করছে। তিনিই পুলিশের সাথে অসাদাচরণ করেছেন এবং নানান ধরনের বাজে কথা বার্তা বলেছেন। পুলিশ সুপার আরও বলেন, পুলিশ কোন অন্যায় করেনি। তিনিই তার অন্যায় ঢাকতে এমন সাজানো সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com