দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সম্প্রতি দিনাজপুর জেলা এন সিপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব ইমরান চৌধুরী নিশাত, এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ভুক্তভোগী ও তার পরিবার লিখিত বক্তব্যে এন সি পি নেতা ইমরান চৌধুরী নিশাদ, বলেন আমি মো: ইমরান চৌধুরী নিশাদ,একজন শিক্ষা উদ্যোক্তা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি’র দিনাজপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব।আমি বিশ্বাস করি সরকার বা কোনো প্রভাবশালী মহলের ভয় বা বাধা ছাড়া স্বাধীন ভাবে সত্য তথ্য প্রকাশ করতে পারার মাধ্যমই হলো স্বাধীন গণমাধ্যম।
আমার সংগঠন এনসিপি ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহিতা তৈরিতে সাধারণ মানুষের কথা ও মতামত প্রকাশের লক্ষ্যে প্রান্তিক পর্যায়ে কাজ করছে।সম্মানিত উপস্থিতি, বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি স্বনামধন্য মিডিয়া “দেশ টেলিভিশনের” গত ১০ই আগস্ট ২০২৬-এর প্রচারিত একটি খবরের মাধ্যমে আমি জানতে পারি ফুলবাড়ী থানায় রাঙ্গামাটি ছোয়ানী বাজারের “মোছাঃ জেবউন নেহার” নামে একজন নারী আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ দায়ের করেছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।ফুলবাড়ীতে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ” শিরোনামে প্রকাশিত “দেশ টিভি’র” দিনাজপুরের প্রতিনিধি হারুন-উর-রশিদের সংবাদটি আমার প্রাণের সংগঠন এনসিপি, আমাকে এবং আমার বাবাকে রাজনৈতিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে প্রচার করা হয়েছে বলে মনে করছি।
সম্মানিত বন্ধুগণ, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি থেকে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক সংগঠনের নাম জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি। আমাকে এনসিপি কর্তৃক আগামী উপজেলা নির্বাচনে ফুলবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ঘোষণা করার পর থেকেই একটি কুচক্রী মহল আমাকে এবং আমার দলকে রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার গভীর ষড়যন্ত্র করে আসছে।
গত ৬/৮/২০২৩ ইং ফুলবাড়ী থানায় দায়েরকৃত অভিযোগকারী “জেবউন নেহার” গং এবং “দেশ টিভি” সাংবাদিক হারুন-উর-রশিদ-এর দ্বারা আমি এবং আমার পরিবার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি এবং সাংঘাতিক রকমের নিরাপত্তাহীনতায় আছি। তাই, বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমি আমার সামাজিক নিরাপত্তা এবং তথ্য যাচাই-বাছাই না করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জন্য সাংবাদিক হারুন-উর-রশিদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।
সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জমির মালিক আব্দুল মাজেদ চৌধুরী, তিনি বলেন জমিটি আমরা মূল মালিকের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ক্রয় করেছি। জমিটি নিয়ে সামাজিকভাবে সমাধান করার জন্য এলাকাবাসী প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তারা সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হয়রানি মূলক ভাবে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে এবং মিথ্যা নিউজ প্রকাশ করেছে। আমি সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি আপনারা সরোজমিনে গিয়ে তদন্ত করে সঠিক বিষয়টিকে তুলে ধরুন।