1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

ফেনী সদর লেমুয়া ইউনিয়নে বিএনপিতে আওয়ামী পূর্ণ বাসন কর্মসুচি হাতে নিয়েছে ওলমা দল গঠনে আওয়ামী ঘরোয়ানা আহবায়ক

ফেনী জেলা নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯৭ বার পড়া হয়েছে
ফেনী সদর লেমুয়া ইউনিয়নে বিএনপি আওয়ামী পূর্ণ বাসন কর্মসুচি হাতে নিয়েছে ওলমা দলের কমিটিতে নির্বাচিত আহ্বায়ক  আওয়ামী  লীগের মোশারফ হোসেন নাসিম এবং আওয়ামী লীগের  খাস লোক এখন বিএনপির ওলমা দলের আহবায়ক হয়েছে।
ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নতুন কমিটি নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক ও ক্ষোভ।
কারণ, কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল মতিন—যিনি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবদুল মতিন সব সময় নিজেকে আওয়ামী লীগের সমর্থক পরিচয় দিতেন।
তিনি লেমুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নাসিমের একান্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং সর্বদা তার প্রশংসা করতেন।
 ৫ আগস্ট ২০২৫-এর পর হঠাৎ করেই তিনি বিএনপির মিছিল-মিটিংয়ে সরব হয়ে ওঠেন। রাজনৈতিক কৌশলে তিনি লেমুয়া ইউনিয়ন ওলামা দলের আহ্বায়কের পদ হাতিয়ে নেন—যা অনেকের মতে কেবল সুবিধাভোগের জন্যই করা হয়েছে।
২৫শে আগস্ট ঘোষিত এই কমিটিতে তার নাম আসার পর থেকেই তৃণমূল বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
 স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ—“যে ব্যক্তি কখনো বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন না, বরং আওয়ামী লীগের সক্রিয় সমর্থক ছিলেন, তাকে কিভাবে ওলামা দলের আহ্বায়ক করা হলো?” তারা আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছে, তাদের উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ সমর্থককে পদ দেওয়া বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতি অবমাননা।”
লেমুয়া শিপনের বাগানবাড়ির সামনে পরিচিতি সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিয়াজী, সাধারণ সম্পাদক রিপন, কৃষক দলের সভাপতি সুজল হক, সাবেক যুবদল সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহম্মেদসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই অভিযোগ করেন, জেলা বা কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলরা যথাযথ খোঁজখবর না নিয়েই এই কমিটি অনুমোদন করেছেন।
তাদের মতে, আওয়ামী লীগের সমর্থকদের এভাবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা নিরুৎসাহিত হবেন এবং দলীয় শৃঙ্খলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
 জেলা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তৃণমূল কর্মীরা বলেছেন, এই বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত এই ধরনের কমিটি বিলুপ্ত করা প্রয়োজন। অন্যথায় ইউনিয়নে মানুষের কাছে এটি হাস্যকর রূপ ধারণ করবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com