1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্যে অটুট রাজনৈতিক দলগুলো: আসিফ নজরুল

মোঃ মকবুলার রহমান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে
ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধের প্রশ্নে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কোনো প্রকার মতবিরোধ নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজধানীর যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি এবং ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
আসিফ নজরুল বলেন, “আজকের আলোচনা অত্যন্ত বন্ধুসুলভ পরিবেশে হয়েছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল পরিষ্কারভাবে বলেছে—ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। মাঠের রাজনীতিতে একে অন্যের বিরুদ্ধে বক্তব্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেটি কখনোই তাদের পারস্পরিক রাজনৈতিক সহযোগিতার সম্পর্ককে অস্বীকার করে না।”
তিনি আরও বলেন, “এটা বোঝা উচিত নয় যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মতো কিছু মন্তব্য করলেই ঐক্যে ফাটল ধরেছে। বরং এই দলগুলো মাঠের ভাষা ও নীতিগত অবস্থানের পার্থক্য বজায় রেখেই একটি বড় লক্ষ্যে—ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধে—একযোগে কাজ করছে।”
বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে দুটি বিষয়কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে জানান আসিফ নজরুল। প্রথমটি—দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে আরও কঠোর মনোভাব গ্রহণ এবং দ্বিতীয়টি—নির্বাচন প্রক্রিয়া যাতে গ্রহণযোগ্য ও সুশৃঙ্খলভাবে অগ্রসর হয়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে উপস্থিত দলগুলোর উদ্দেশে বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানে আপনাদের ঐক্য আরও দৃশ্যমান হলে জনগণের আস্থাও বাড়বে। একসঙ্গে থাকলে দেশের মানুষ আশাবাদী হবে এবং স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।”
আসিফ নজরুল জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা জোর দিয়ে বলেছেন, তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সমন্বয় বজায় রয়েছে। এক নেতা বলেন, “মাঠে যত কথাই হোক, আমরা যখনই প্রধান উপদেষ্টা আমন্ত্রণ জানান, তখনই সাড়া দেই। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় সক্রিয় অংশগ্রহণই তার প্রমাণ।”
তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক নেতারা সরকারকে সতর্ক করেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোর পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
এ বৈঠক স্পষ্ট করে দিল যে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও দেশের বড় দলগুলো একটি অভিন্ন লক্ষ্য—ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ ও গণতন্ত্রের পথ সুগম করার কাজে একাট্টা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com