1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) সংসদীয় আসন পুনরুদ্ধারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন ও মতবিনিময় সভা

মোঃ দুলাল মিয়া
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২২৬ বার পড়া হয়েছে
 মঙ্গলবার (১১ মার্চ ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ) বেলা ১১ ঘটিকায় আমতলী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বরগুনা-৩ (আমতলী-তালতলী) সংসদীয় আসন পুনরুদ্ধারের দাবিতে এক সাংবাদিক সম্মেলন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক গাজী আব্দুল মান্নান, সাবেক অধ্যক্ষ আমতলী সরকারি কলেজ ও আহ্বায়ক, আমতলী-তালতলী উন্নয়ন ফোরাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল ইসলাম শানু, সাবেক সভাপতি আমতলী উপজেলা বিএনপি ও আহ্বায়ক, বরগুনা-৩ আসন পুনরুদ্ধার বাস্তবায়ন কমিটি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, সভাপতি খিলাফত মজলিস বরগুনা জেলা এবং অধ্যাপক মাওলানা এইচ. এম. হাসান, সহ-সভাপতি খিলাফত মজলিস আমতলী উপজেলা।
সভায় বক্তারা বলেন, আমতলী ও তালতলী উপজেলা বরগুনা জেলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ও জনবহুল এলাকা। একসময় এই দুই উপজেলা মিলে গঠিত ছিল বরগুনা-৩ সংসদীয় আসন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক বিভাজনের কারণে এই আসন বিলুপ্ত হয়, যার ফলে আমতলী-তালতলীর জনগণ রাজনৈতিকভাবে উপেক্ষিত ও বঞ্চিত হচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, “আমতলী ও তালতলীর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি হচ্ছে বরগুনা-৩ আসন পুনরুদ্ধার করা। এ দাবিকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”
অধ্যাপক গাজী আব্দুল মান্নান বলেন, “আমরা দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে কেবল এলাকার স্বার্থে একত্রিত হয়েছি। আমাদের দাবি, দ্রুত এই আসন পুনর্বিন্যাস করে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হোক।”
প্রধান অতিথি এডভোকেট নুরুল ইসলাম শানু বলেন, “জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা স্থায়ী হতে পারে না। সরকারকে অবশ্যই জনগণের মতামত বিবেচনায় নিতে হবে।”
সভায় বক্তারা আগামী দিনে আন্দোলনকে আরও বেগবান করার ঘোষণা দেন এবং এ বিষয়ে একটি কার্যকর কমিটি গঠনের উদ্যোগের কথাও জানান।
সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com