1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইল ও ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার হজে যাচ্ছেন ৩০ হাজার ইরানি, সর্বোচ্চ আতিথেয়তার প্রস্তুতি সৌদির বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের পথেই দেশকে নিয়ে যাচ্ছে: নাহিদ ইসলাম পত্নীতলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব খুলনার কয়রায় ‘স্ট্রেচারে’ স্বাস্থ্যসেবা: চালক সংকটে ৬ মাস গ্যারেজে ২ অ্যাম্বুলেন্স ‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় জি এস আম্মারের মায়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস কৈলাগ ইউনিয়নে মাদকের ছোবল: তুচ্ছ ঘটনায় অটোরিকশা চালক বিপ্লব খুন, আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ক্ষোভ সলঙ্গায় মানবিক সংগঠনের উপহার একটি ছাগল চাঁদপুর শহরের শপথ চত্বরে পানির ফিল্টার স্থাপন যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ নোবিপ্রবির শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি মারা গেছেন

বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের পথেই দেশকে নিয়ে যাচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

Desk report
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি সরকার বাংলাদেশকে আওয়ামী লীগের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে যে বিএনপি দলীয়করণ করছে, এটা আওয়ামী লীগের পথেই বিএনপি বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের পথে, পুরোনো স্বৈরাচারের পথে এদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাহলে বাংলাদেশের জনগণ আবারও রুখে দাঁড়াবে।’

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক সমাবেশে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছে। বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণ প্রতিজ্ঞা করেছিল নতুন করে কোনো স্বৈরতন্ত্র এই দেশে ফেরত আসতে দেওয়া হবে না। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই বাংলাদেশের সংস্কারের কার্যক্রম শুরু হয়।’

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকেই প্রতি পদে পদে বিএনপি সেই সংস্কার কার্যক্রমে বাধা দিয়ে এসেছে। এক পর্যায়ে তারা বাধ্য হয়ে ঐক্যমত কমিশনে আসে। কিন্তু ঐক্যমত কমিশনে এসেও প্রত্যেকটা গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারে তারা নোট দিয়েছে; অর্থাৎ তাদের বাধা, তাদের অসম্মতি তারা জানিয়ে এসেছে।’

এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘সবশেষে তারা সেই সময়ে রাজনৈতিক বাস্তবতার চাপে গণভোটে রাজি হলেও আমরা দেখতে পেলাম যে নির্বাচনের পরপর তারা গণভোটকে অস্বীকার করা শুরু করেছে। যে বিএনপির জন্ম হয়েছিল গণভোটের মাধ্যমে, সেই বিএনপি আজকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী গণভোটকে অস্বীকার করছে। বাস্তবে বিএনপি তার অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে শুরু করে দিয়েছে।’

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘বিএনপি কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে জনগণের মন ভোলানোর চেষ্টা করছে। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড দিতে দিতেই বিএনপির তেল ফুরিয়ে গিয়েছে, জ্বালানি ফুরিয়ে গিয়েছে। অথচ মন্ত্রীরা সংসদে বলছে-কোনো জ্বালানি সংকট নাই। বাস্তব সমস্যাকে অস্বীকার করছে, অর্থনৈতিক সমস্যাকে অস্বীকার করছে। দেশে আইনশৃঙ্খলার যে ক্রমাগত অবনতি হচ্ছে, সেটাকেও অস্বীকার করছে বর্তমান সরকার।’

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com