সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আপন বড় বোন মনোয়ারা বেগমকে মারধর করে দাঁত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আলিমুদ্দিন গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী আব্দুল মজিদ বাদী হয়ে গত ২০ এপ্রিল বেলকুচি থানায় ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন—সাইদুল ইসলাম, তার ভাই সাইফুল ইসলাম, ভাতিজা শরিফুল ইসলাম, ফজিয়া খাতুন, সাহানা খাতুন ও সুমি খাতুন। এজাহারে বলা হয়, মনোয়ারা বেগম ৩০ বছর ধরে পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করছেন। সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ষড়যন্ত্র করে আসছেন সাইদুল গং। ১৯৮২ সালের একটি জাল দলিল দেখিয়ে তাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেন। পরে তদন্তে দলিলটি জাল প্রমাণিত হয়। সর্বশেষ ১৩ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনোয়ারার ওপর হামলা চালানো হয়। গরু জবাইয়ের ছুরি দিয়ে মাথায় কোপ ও লোহার রড দিয়ে মারধরের ফলে তার দুটি দাঁত ভেঙে যায়। বেলকুচি থানার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি আদালতে মামলা হিসেবে হয়েছে, পিটিশন পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক সাইদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সম্পত্তি নিয়ে শুধু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে এবং কেস তুলে নিলে বোনকে তার অংশ বুঝিয়ে দেওয়া হবে।