1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান ঝড়ে নারকেল গাছ ভেঙে স্কুলে, আহত একাধিক শিক্ষার্থী ধান কাটার মৌসুমে বৃষ্টির হানা, বিপাকে নবাবগঞ্জের কৃষক কাঠালিয়ায় বালুবোঝাই ট্রলি থেকে ছিটকে চালকের মৃত্যু কুড়িগ্রামে মাইক্রোবাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১১

মুন্সীগঞ্জে রাতের অধারে ইউপি সদস্যর মাটি চুরি

অহিদুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে
মুন্সীগঞ্জ প্রসাশনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খিদিরপাড়া ইউনিয়নের ঘাসভোগ গ্রামে সরকারী খালে ড্রেজার বসিয়ে রাতের আধার মাটি চুরি করছে ইউপি সদস্য বুলবুল সহ কতিপয় ব্যাক্তি স্থাণীয় কৃষকরা এ অবৈধ মাটি কাটতে প্রতিরোধ করতে গেলে বুলবুল গংদের ড্রেজার শ্রমিকরা পালিয়ে যায়।জানাগেছে গত এক সপ্তাহের অধিক সময় ধরে সরকারী খালে ড্রেজার বসিয়ে মাটি  লুটপাট করছে খিদিরপাড়া ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য সেখ বুলবুল আহমেদ,সোরহান ও স্বপন নামের ব্যাক্তি।এতে খালের পাশের কৃষকের জমি ভেঙ্গে খালে বিলিন হচ্ছে।অসহায় কৃষক বারবার প্রতিবাদ জানিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছেনা।পরে তারা আদালত হতে নিষেধাজ্ঞা আনলেও তাও কর্নপাত করছেনা ওই প্রভাবশালীরা।পরে লৌহজং উপজেলা প্রসাশন মাটি কাটতে নিষেধ করায় এখোন তারা সরকারী খাল হতে রাতের আধারে মাটি চুরি করছে।
স্থানীয়ভাবে জানাগেছে,বুলবুল,সোরান ও স্বপন নামের ব্যাক্তি সারা বছরই খালের মাটি চুরি সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে।তারা মোকাজ্জল নামে স্থাণীয় এক ব্যাক্তির কাছ হতে মাটি কিনে ড্রেজার দিয়ে নিচ্ছে বলে দাবী করলেও মোকাজ্জল জানিয়েছে সে তাদের কাছে কোন মাটি বিক্রি করেনি।স্থাণীয় একটি স্কুল ও গলিয়া খোলা ভরাব  নাম করে মাটি কাটলেও এরা বিভিন্নস্থানে মাটি বিক্রি করছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ডহুরী তালতলা খালের সাথে সংযুক্ত হওয়া ঘাসভোগ এলাকার খালটিতে সংযোগস্থলের পাশে মিনি ড্রেজার বসিয়ে মাটি কাটছে তারা।যে স্থানে মাটি কাটা হচ্চে তার পাশে  ঝুলছে একটি আদালত হতে নিষেধাজ্ঞার সাইনবোর্ড।এছাড়া খালের পাশের জমি  মালিকরা লাল নিশানও টানিয়ে রেখেছেন।স্থাণীয় কৃষকরা বলেন,তাদের জমির পাশের খালে মাটি  কাটার ফলে খালের পাশের হাসেম,হাকিম,রফি গংদের জমির মাটি ভেঙ্গে খালে পরছে।জমি মালিকরা বারবার মাটি কাটতে বারন করা সত্ত্বেও ড্রেজার  মালিকরা কর্নপাত করছে না।এ ব্যাপারে স্থাণীয় শিপন বলেন,অনেকদিন ধরে খালের মধ্যে ড্রেজার বসিয়ে মাটি কাটছে বুলবুল মেম্বার,সোরহান আর স্বপন।এরা সারা বছরই খালের মাটি চুরি করে বেচেঁ এটাই তাদের পেশা।বুলবুল মেম্বার আদম ব্যবসা ও মানবপাচারের সাথেও জড়িত।রাতে মাটি কাটতাছে খবর পেয়ে আমরা আসলে বুলবুল মেম্বারের ড্রেজার শ্রমিকরা পালিয়ে গেছে।এ ব্যাপারে স্থাণীয়  মোঃ শরীফ জানান,খালের মধ্যে এক সপ্তাহ ধরে মাটি কাটতাছে।সোরহান আর বুলবুল মেম্বার মিলে এই মাটি কাটছে।আগে দিনে মাটি কাটলেও এখোন রাতের আধারে মাটি কাটছে তারা।এতে আমাদের জমি বাড়িঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে।অপর কৃষক আঃ হাকিম বলেন,সরকারী খালে মাটি কাটার সাথে বুলবুল মেম্বার ও সোরহান জড়িত।মাটি কাটার ফলে আমাগো জমি ভেঙ্গে পরছে।আমরা বারবার মাটি কাটতে নিষেধ করছি তারা কোন কথাই শুনছেনা।স্থাণীয় কৃষক বৃদ্ধা রফি বলেন,আমার জমির পাশে ড্রেজার বসাইয়া সোরহান আর বুলবুল মেম্বার মাটি কাইটা নিয়ে যাইতেছে।আমি বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা আমাকে কোন পাত্তাই দিচ্ছেনা।পরে আমি আদালত হতে নিষেধাজ্ঞা আনছি তাও ওরা মানছে না।এ ব্যাপারে খিদির পাড়া ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য অভিযুক্ত শেখ বুলবুল আহমেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন ভবিষৎতে আপনি আমার নাম্বারে আর ফোন দিবেননা আপনি এলাকায় আসেন বলেও সাংবাদিককে হুমকি প্রদান করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com