1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

যশোরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গাছের চারা বিতরণ

মোঃ জুম্মান হোসেন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১০ বার পড়া হয়েছে
জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক শূন্যতা অনুভব করেছিলেন। তিনি আধিপত্যবাদ ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। সেসব প্রয়োজনের মধ্য দিয়েই তিনি বিএনপি গঠন করেছিলেন। তার দাবি ছিল ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন । তিনি চেয়েছিলেন দেশকে এগিয়ে নিতে। তার হাত ধরেই দেশে নতুন সূচনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে চার দিনব্যাপী কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ১৯ দফার একটি ছিল সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ তথা জাতীয় অর্থনীতিকে জোরদার করা, যা বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণ অপরিহার্য। দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আগামী দিনগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিএনপির প্রয়াত নেতা তরিকুল ইসলামসহ সকল নেতাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। একই সাথে তিনি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মারুফুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান মুকুল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আঞ্জারুল হক খোকন, নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনসারুল হক রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তফা আমির ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক রাজিদুর রহমান সাগর, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সালসহ নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওমর ফারুক তারেক।
উল্লেখ্য, আজ ১ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে যশোর জেলা বিএনপি চার দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। রোববার প্রথম দিনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আজ সকাল ১০টায় জেলা বিএনপির পার্টি অফিস প্রাঙ্গণে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। বেলা ১১টায় বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩টায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে টাউন হল মাঠ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com