1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

শাহজাদপুরে ভুট্রার বাম্পার ফলনে চাষীদের মুখে হাসি।

মোঃজাহাঙ্গীর আলম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
সরিষার রাজ্য খ্যাত শাহজাদপুরে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ভুট্টার চাষ হয়েছে। ভুট্রার বাম্পার ফলন, বাজার মূল্য ভালো থাকায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। অনুকূল আবহাওয়া ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিতে আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায়, অল্প পরিশ্রম ও কম খরচে বেশী লাভবান হওয়ায় এ অঞ্চলে প্রতিবছরই বাড়ছে ভুট্রার আবাদ। এ আবাদে পোকা-মাকড়ের ঝামেলা কম, এবং ভুট্রার গাছ ও মোচা জ্বালানি ও গো খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করতে পারায় ভুট্রা চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।       উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে এ উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে, যা গত অর্থবছরে ছিল ৩৫ হেক্টর। বীজ বপন থেকে মাত্র চার মাসের মধ্যেই এ ফসল ঘরে তোলা যায়। বেলে দো-আঁশ মাটি ভুট্রা চাষের জন্য যথেষ্ট উপযোগী। প্রয়োজনীয় জৈব সার প্রয়োগ করে বীজ বপন করে একটু সেচ ও পরিচর্যা করলেই ভুট্রা ফলানো সম্ভব। প্রতি বিঘা পদ্মা-৫৫, সিনজেন্টা এন এইচ-৭৭২০, কে এম এইচ বি-৪১০ ও মেজর ৩৩৫৫ জাতের ভুট্রা ৪০-৪২ মণ করে হয়। ফলে উৎপাদন খরচ একেবারেই কম। ভুট্রা আবাদে পোকামাকড়ের ঝামেলা কম হওয়ায় অনেকটা নিশ্চিন্তেই ভুট্রা চাষ করা যায়। চর-বাশুরিয় গ্রামের ভুট্রা চাষী আনছার আলী জানান, বিগত কয়েক বছর ধরেই ভুট্রা চাষাবাদ করে আসছি। এ বছর ৬ বিঘা জমিতে ভুট্রা চাষাবাদ করেছি। আশানুরূপ ফলন পাবো। বর্তমানে বাজারে ভুট্রা ১২০০-১৩০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। ভুট্রার ভালো দাম থাকায় লাভবান আমরা। এছাড়া ভুট্রার গাছ ও মোচা পরিবারের রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয়। ভুট্রাচাষে পোকামাকড়ের তেমন আক্রমণ না থাকায় ভালো ফলন হয়েছে। তাতে করে ভুট্রা চাষাবাদে সবকিছু বাদ দিয়ে প্রতি বিঘা নূন্যতম ২৮-৩০ হাজার টাকা করে আমাদের লাভ হবে। ভুট্রা চাষ শেষে নিশ্চিন্তেই পাট ও তিল চাষ করা যায়।
ভুট্রা চাষি লালন মোল্লার সাথে কথা বলে আরও জানা যায়, এবারে আবহাওয়া অনুক‚লে থাকায় ও ভুট্রা চাষে পোকামাকড়ের তেমন আক্রমণ না থাকায় ভালো ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা ভুট্রা চাষে খরচ হয় ১৫-১৭ হাজার টাকা। প্রকারভেদে প্রতি বিঘা আধাপাঁকা ভুট্রা ৩০-৩৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গো খাদ্য হিসেবে ভুট্রার সাইলেজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় পাইকাররা ক্ষেত থেকে কিনে সাইলেজ বানিয়ে প্যাক করে নিয়ে যায়। ফলে ভুট্রা চাষকৃত জমিতে আবার বোরো ধান রোপণ করতে পারবো বলে আশা করছি। শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জেরিন আহমেদ বলেন, এ বছর উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে ভুট্রার চাষ হচ্ছে। পদ্মা-৫৫, সিনজেন্টা এন এইচ-৭৭২০, কে এম এইচ বি-৪১০ ও মেজর ৩৩৫৫ জাতের উদ্ভাবিত ভুট্রার জাতগুলোর ফলন বেশি। বাজার দাম ভালো থাকায় খুশি ভুট্রা চাষিরা। এ কারণে চাষিরাও আগ্রহী হচ্ছেন ভুট্টা চাষে। এছাড়াও ভুট্রা চাষে উদ্ভুদ্ধ করতে ভুট্রা চাষে ভালো ফলনের জন্য কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণসহ সবধরনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর কোনো দুর্যোগ না হলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন হবে বলে আশা করেন তিনি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com