1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চাই: তথ্যমন্ত্রী উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগাম জামিন পেলেন জামায়াতের এমপি আমির হামজা আর্থিক সংকটে পড়েছে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা!

শেখ হাসিনা কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছেন তিনি কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক -কৃষি মন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুস শহীদ

মোতাহার হোসেন
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪
  • ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক।কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করছেন। রংপুরের আমচাষীদের কথা চিন্তা করে তাদের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য হাড়িভাঙ্গা আমকে জিআই পন্যের মর্যাদা দিয়েছেন। তাঁর সাথে আলোচনা করে হাঁড়ি ভাঙ্গা আম ও আম চাষিদের উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রশিক্ষণ দিয়ে কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে। মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জে হাঁড়িভাঙ্গা আম মেলার উদ্বোধনকালে কৃষি মন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুস শহীদ একথাগুলো বলেন।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জ স্কুল এ্যান্ড কলেজ মাঠে ১৫ দিন ব্যাপি হাঁড়ি ভাঙা আম মেলার উদ্বোধন ও প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় কৃষি মন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুস শহীদ প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এর আগে তিনি মেলায় বসানো প্রদর্শনী স্টল পরিদর্শন করে হাঁড়িভাঙা আমের মেলা সফল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জাকির হোসেন সরকার এমপি গবেষণা করে হাঁড়িভাঙা
আমের উৎকর্ষ সাধন এবং ন্যায্য মুল্য নিশ্চিত করনে হিমাগার প্রতিষ্ঠার দাবি জানান। তিনি রানীপুকুর হতে পদাগঞ্জ সড়ক প্রশস্ত করার বিষয়ে কৃষি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আরও বক্তব্য রাখেন কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার।রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আম মেলার উদ্বোধনী সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ মাসুদ করিম, বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন, পুলিশের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক একেএম ছায়াদত হোসেন বকুল, মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মনসহ বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। এই মেলাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলা-উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা আসতে শুরু করে। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হতেই মেলা প্রাঙ্গন ভরপুর হয়ে উঠে। মেলায় বিভিন্ন স্টলে হাঁড়িভাঙা আমসহ বিভিন্ন আম এবং আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করা হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কৃষি মন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এর বক্তেব্যের পর আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন জেলা প্রশাসক মোবাশ্বের হাসান। এর আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন আমন্ত্রিত শিল্পীরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com