1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যবসায়ীর কাছে বিএনপির তিন নেতার ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি সোনাতলায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন চিলমারীতে দুই বছরের শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটনে সংবাদ সংগ্রহে তিন সাংবাদিককে বাধা সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঘাস ব্যবসায়ীর হাত ভাঙা ‎ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ‌ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে উজাড় হচ্ছে কুয়াকাটার ‘মিনি সুইজারল্যান্ড’ ‎আলেম সমাজের সঙ্গে আবুল হোসেন মিয়ার মতবিনিময়: ঐক্য, উন্নয়ন ও দ্বীনি মূল্যবোধ জোরদারের আহ্বান কুয়াকাটায় অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্যস্নানে হাজারো ভক্তের সমাগম জামালপুরের ইসলামপুর মন্দিরে ভজন গীত পরিবেশন

সবুজ পৃথিবী গড়তে কটিয়াদীতে ১১০০ শিক্ষার্থীকে গাছের চারা উপহার

Kamruzzaman Bhuian
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

সবুজ পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন তৈরি করতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে স্কুল-কলেজ- মাদরাসার শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। স¤প্রতি উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কৃষি প্রণোদনার আওতায় এসব চারা উপহার হিসেবে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সবুজ পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন তৈরি হয়। তাদের উৎসাহিত করা হয় যে, তারাও একটি গাছ লাগিয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় অবদান রাখতে পারে।
এর মাধ্যমে একটি টেকসই পৃথিবী গড়ার ভিত্তি স্থাপন করা যায়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তাদের দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি বৃক্ষরোপণ সম্পর্কে তাদের আরো বেশি উৎসাহিত করতেই তাদের উপহার হিসেবে গাছের চারা দেওয়া হয়। স¤প্রতি পৌরসদরের পাকুন্দিয়া আদর্শ মহিলা কলেজসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ২৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪ হাজার ৪০০ টি বিভিন্ন গাছের চারা প্রত্যেককে ৪টি করে উপহার দেওয়া হয়। উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এসব গাছের চারা ওইসব প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়া হয়।
ছায়েদাতুন্নেছা নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বলেন, গাছ আমাদের প্রকৃত বন্ধু। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়। এমনিতে বর্ষা মৌসুমে বসতবাড়ির আশপাশে বিভিন্ন গাছ রোপণ করে থাকি। মাদ্রাসা থেকে বিনা মূল্যে গাছের চারা পেয়ে ভালো লাগছে। নিজ হাতে বাড়িতে নিয়ে গাছের চারাটি রোপণ করব।
ফেকামারা ইসলামী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাসেম বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর ফলে তাদের মধ্যে বৃক্ষরোপণ সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বৃক্ষরোপণ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং পরিবেশ রক্ষায় তাদেরও যে ভূমিকা রয়েছে, সে বিষয়ে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা জোগাতে কৃষি প্রণোদনার আওতায় তাদের মাঝে বিনা মূল্যে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা উপহার দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এতে তারা আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবে এবং পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com