1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেই বিচারপতি মান্নানকে বিচারকাজ থেকে সরিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি হরমুজে সাবমেরিন ইন্টারনেট ক্যাবল নিয়ে সতর্ক বার্তা ইরানের মার্কিন নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন ড. সাইমুম পারভেজ নলডাঙ্গায় নশরৎপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভূমিভূত বসতবাড়ি দিশেহারা কৃষক পরিবার লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, অচল জেনারেটরে চরম ভোগান্তি—পরিদর্শনে প্রতিনিধি দল পটুয়াখালীতে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করতে জেলা প্রশান এর মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে প্রেমের টানে ধর্মান্তর: চাঁদপুরে চাঞ্চল্য নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে ৪ খুনের রহস্য উদঘাটন: সম্পত্তির লোভে ভাগনে-ভগ্নিপতির নৃশংস পরিকল্পনায় খুন নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে ৪ খুনের রহস্য উদঘাটন: সম্পত্তির লোভে ভাগনে-ভগ্নিপতির নৃশংস পরিকল্পনায় খুন

সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ দুর্ভোগে রোগীর স্বজনরা

মোহাঃহাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি, শিবগঞ্জ।
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৫৩১ বার পড়া হয়েছে
অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের  শিবগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স সেবাটি গত ৪ নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। কয়েক মাস আগের বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় তেল পাম্প বাকিতে তেল দিচ্ছে না। ফলে অ্যাম্বুলেন্স সেবাটি বন্ধ হয়ে যায়।
এতে রোগি সাধারণের ভোগান্তি বেড়েছে চরমে। সাধারণ রোগিদের বাইরে থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করতে গেলে মোটা টাকা গুণতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, তেলের বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে আবারো চালু হবে সেবাটি।
হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, শিবগঞ্জ উপজেলার প্রায় সাত লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দেয় শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ইনডোর ও আউটডোরে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ থেকে ৫শ জন চিকিৎসা নেয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রায় প্রতিদিনই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, রাজশাহী ও ঢাকায় রোগী পরিবহন করতে হয় হাসপাতাল থেকে। কিন্তু তেল বরাদ্দ অভাবে অ্যাম্বুলেন্সটি বন্ধ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে তেলের অভাবে অ্যাম্বুলেন্স সেবা টি বন্ধ রয়েছে। কর্মহীণ সময় কাটাচ্ছেন চালক। এসময়  চকৃকীর্তি ইউনিয়  দুর্ঘটনায় আহত রোগিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন জরুরী বিভাগের চিকিৎসক। কিন্তু সরকারী অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে বাইরে থেকে চড়া ভাড়ায় অ্যাম্বুলেন্স নিতে হয় জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।
লহলয়মারি  গ্রামের রিপন আলী তিনি জানান, তার আমার ফুফু দুর্ঘটনার মাথায় আঘাত হত ভেঙ্গে যায়। রাতে অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ায়। রোগী হাসপাতালে নিতে অনেক বিলম্ব হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এর অ্যাম্বুলেন্স নিতে হয়েছে।
রোগীর স্বজন খালেদা আক্তার বললেন, শিবগঞ্জ হাসপাতালে এসে অ্যাম্বুলেন্সের জন্য খোঁজ করলে সরকারি আম্বুলান্স পাওয়া যায় পাওয়া যায়নি তিন গুণ বেশি টাকা  দিয়ে বাইরের অ্যাম্বুলেন্সে আমাকে রোগী বহন করে রাজশাহী নিয়ে যেতে হয়েছে।
অ্যাম্বুলেন্সটির চালক আব্দুল হামিদ বলেন, অ্যাম্বুলেন্সে রোগী পরিবহনের ভাড়ার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়। বিপরীতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জ্বালানি তেল ক্রয় বাবদ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দ পেতে দেরি হওয়ায় গত ৪ নভেম্বর থেকে অ্যাম্বুলেন্স সেবাটি বন্ধ। স্থানীয়ভাবে অ্যাম্বুলেন্সের আয় দিয়ে জ্বালানী কেনার অনুমতি না থাকায় সমস্যাটি  দেখা দিয়েছে । তেল বাবদ বাকি রয়েছে অনেক টাকা।
অ্যাম্বুলেন্স সেবাটি বন্ধের ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃসায়রা খান জানান, তেল পাম্পে টাকা বকেয়া থাকায়  তেলপাম্প কোন তেল সরবরাহ করছে না। এদিকে বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে কিন্তু অদ্যাবদি বরাদ্দ মেলেনি। অ্যাম্বুলেন্সের আয়ের  টাকা খরচ করার অধিকার না থাকায় তা সম্ভব হয় না। বরাদ্দ পাওয়া গেলে অ্যাম্বুলেন্স সেবাটি চালু করা হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com