1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

সলঙ্গায় বিএনপি নেতা আব্দুল আলীমের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের ফায়দা নিতে চায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ

মোঃ জাকি উল্লাহ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীমের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের ফায়দা নিতে চায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। তথ্য সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (১৭ আগস্ট ( চৌধুরী ঘুঘাট গ্রামে জমিজমাকে কেন্দ্র করে মৃত রশিদ সেখের স্ত্রী শিরিয়া খাতুন ২০ আগস্ট বাদী হয়ে সলঙ্গা আমলি আদালতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। ২২ আগস্ট শুক্রবার সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মামলার বাদী শিরিয়া খাতুন ঘটনার দিন বাড়িতে ছিলেন না। আব্দুল আলীম ঘটনাস্থলে ছিলেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আব্দুল আলীম সেখানে ছিলেন না। মামলা করার কারণ হিসাবে বলেন বিএনপির অপরপক্ষ আমাদের সাথে আছে। পুলিশি তদন্তে শিরিয়া খাতুন জমির কাগজ পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। মুলত আর এস দাগ নং ২৭৩ এর ২৯ শতক জমি দখল নিয়ে এ ঘটনা। প্রত্যদর্শীরা জানান, মৃত শাহাজামালের ছেলে হারুন জমিতে ধানের চারা রোপনের সময় মামলার বাদী শিরিয়া খাতুনের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে ছমিরন ও নাজমা উপস্থিত হয়ে রোপনকৃত চারা তুলে ফেলে। যা এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে ধাক্কা ধাক্কি হয় এবং বৃষ্টি হওয়ার কারণে রাস্তা পিচলে পড়ে যায়। শাহাজামাল রেকর্ড সূত্রে মালিক হয়ে খাজনা খারিজ করে বিগত ৬০ বছর হল ভোগ দখল করে আসছিল । আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১৬ সালে আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল করিম, আনোয়ার হোসেন, মনি মাষ্টার, বাহাছ মাস্টারের সহায়তায় দলীয় প্রভাবখাটিয়ে উক্ত দাগের জমিটি মৃত রশিদ সেখের স্ত্রী ও ছেলেদের দখল করে দেন। চৌধুরী ঘুঘাট গ্রামের বাসিন্দা গঞ্জের প্রামানিক, আব্দুল লতিফ, আরিফুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম বলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সহায়তায় জোরপূর্বক ৫ বছর জমিটি রশিদ গংরা বেদখল দেন। আব্দুল আলীম একজন পরিছন্ন রাজনীতিবিদ আমরা তাকে দীর্ঘদিন ধরে পাশে পেয়েছি। এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ও সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম সরকার বলেন, রাজনৈতিক ভাবে আমাকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা চক্তান্তে লিপ্ত। উক্ত ঘটনার সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com