1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজপথের দুই যোদ্ধা এবার ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে: ফরিদপুর ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক সাহেদুল, সদস্য সচিব সজল নেত্রকোনায় কারারক্ষীর বাড়িতে হামলা-লুটপাাটের অভিযোগ দায়ের দেখার কেউ নেই মাধবপুর কৃষি জমি, নদী, ছড়া, থেকে বালুমাটি লুট পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা রংপুরে নবনির্বাচিত ৬ সংসদ সদস্যের সাথে জেলা প্রশাসনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনালী ব্যাংকের ওয়াশরুম থেকে টাকা চুরির ঘটনায় ৩ জন গ্রেফতার মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে সংসদ সদস্য, সেবার মানোন্নয়নে কড়া নির্দেশনা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ব্যারিস্টার নাজির আহমদ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পিরোজপুরে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির ‘মহোৎসব’, বিপন্ন ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা, জাতির মেরুদণ্ড কি আজ রুগ্ন? গাইবান্ধায় ২৫ শে মার্চ গণহত্যা ও ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রস্তুুতিমুলক সভা।।

সাদিক কায়েম ও আবিদুলকে নিয়ে ২৬ সেকেন্ডের ভিডিও বিতর্ক: উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাটছাঁট করে প্রচারের অভিযোগ

মিজানুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) সাদিক কায়েমকে উদ্দেশ্য করে ব্যঙ্গাত্মক স্লোগান দেওয়া এবং ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামের জুলাই আন্দোলনে বলা জনপ্রিয় স্লোগান কেটে বিকৃতভাবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, “তুমিও জানো, আমিও জানি সাদিক কায়িম পাকিস্তানি”—এমন মন্তব্যের পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে আবিদুল ইসলামের দেওয়া জনপ্রিয় স্লোগান “প্লিজ, কেউ কাউকে ছেড়ে যায়েন না” নিয়েও ব্যঙ্গ করা হয়। তবে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কেবল আবিদুলের অংশটিই কেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে ডাকসুর ফল ঘোষণার সময় অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান তার ফেসবুকে ভিডিওটি পোস্ট করেন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভিডিওটি ভাইরাল হলে দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে।
পরে একইদিন সোহান হাসান সাকিব নামে এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে ক্ষমা প্রার্থনা করে একটি স্ট্যাটাস দেন। তিনি লেখেন,
“গত ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ডাকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের করা একটি ভিডিওর কিছু অংশ সমালোচনাসহ প্রচার হচ্ছে। সেখানে ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ভাইয়ের ‘প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না’ অংশটি ব্যবহৃত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও লেখেন,
“ভিডিওটি আমরা করেছি সহপাঠীদের আড্ডার ছলে, সেন্স অব হিউমার থেকে। এটি ছিল কেবল একটি পলিটিক্যাল স্যাটায়ার, কারও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আঘাত করার জন্য নয়। ভিডিওতে আবিদ ভাইয়ের কথার পাশাপাশি সাদিক কায়েম ভাইকে নিয়েও মন্তব্য ছিল। কিন্তু সেটির একটি অংশ কেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে বিশেষভাবে আবিদ ভাইকে নিয়ে নেতিবাচকতা তৈরি হয়েছে।”
সোহান দাবি করেন, ভিডিওটি কেবলই হলের একটি রুমে বসে বন্ধুদের আড্ডার অংশ ছিল, কোনো রাজনৈতিক বৈঠক বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা নয়। তিনি আরও বলেন,
“এটি শুধুই ডাকসু নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে করা হয়েছিল। অনেকেই বলছেন, জুলাই আন্দোলনে আবিদ ভাইয়ের বিখ্যাত আহ্বানকে আমরা অবমূল্যায়ন করেছি—কিন্তু তা একেবারেই উদ্দেশ্য ছিল না। বরং বিষয়টি এমনভাবে ব্যাখ্যা হয়ে অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন, যা আমাদের মর্মাহত করেছে।”
জুলাই আন্দোলনে আবিদুল ইসলামের অবদান উল্লেখ করে তিনি লেখেন,
“আবিদ ভাইয়ের হৃদয়গ্রাহী আহ্বান—‘প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না’—আন্দোলনের কঠিন মুহূর্তে হাজারো শিক্ষার্থীর মনোবল ধরে রেখেছিল এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। মজার ছলে করা আমাদের এই ভিডিওটি যে এভাবে মানুষকে আঘাত দেবে, বিশেষ করে আমাদের জুলাই সহযোদ্ধাদের, তা ভাবতে পারিনি। এজন্য আবিদ ভাইসহ যারা কষ্ট পেয়েছেন, তাদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আবিদ ও সাদিক ভাইসহ সবাইকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি।”
প্রসঙ্গত, মূল ২৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায় শিক্ষার্থীরা “তুমিও জানো আমিও জানি, সাদিক কায়েম পাকিস্তানি” স্লোগানের পাশাপাশি “প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না”ভাইয়া কাউকে ছেড়ে যায় না।ডাকসু নির্বাচনে ভোটের মাঠে যা বলেছিলেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদ।তা নিয়েও ব্যঙ্গ করছেন।তবে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে শুধুমাত্র দ্বিতীয় অংশটি কেটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
অনেকে মনের করছেন এটা উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে দ্বিতীয় অংশ কেটে প্রচার করে অনেকে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চাচ্ছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com