1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ ইরানে বিপ্লবী গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করে হত্যা বকেয়াসহ জুলাই থেকে নিয়মিত বেতন পাবেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারসহ সব দুর্নীতি তদন্ত করা উচিত: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘শিবির কি শেখ মুজিবের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?’ যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মানলে ইরানও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে: পেজেশকিয়ান ফুলবাড়ীতে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচার, উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ছয় মাসে ৩৩০ কোটি টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ, আটক ১৪০: বিজিবি

​হাম-রুবেলা মুক্ত আগামীর প্রত্যয়: কয়রায় সমন্বয় সভার মধ্য দিয়ে ‘মহা-লড়াই’ এর প্রস্তুতি

​এস এম এ রউফ, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে
উপকূলীয় জনপদ কয়রায় শিশুদের সুরক্ষায় শুরু হতে যাচ্ছে ‘জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’। এই মহতী উদ্যোগকে সফল করতে ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার, ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং গ্যাভি (Gavi)-এর সম্মিলিত সহযোগিতায় দেশব্যাপী চলমান এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে কয়রাতেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
সভায় বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা কেবল সাধারণ চর্মরোগ নয়, এটি শিশুর পঙ্গুত্ব এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। ২০২৬ সালের এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (অথবা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সী) সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চল ও লবনাক্ত এলাকার কোনো শিশু যেন এই জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে ও ডাঃ কাঞ্চন সানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরো বক্তব্য রাখেন তপন কুমার কর্মকার,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। ডাঃ সুজিত কুমার বৈদ্য, আবাসিক মেডিকেল অফিসার। এস আই আঃ কাদের ,আমাদি ক্যাম্প ইনচার্জ ।বক্তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন: যারা নিয়মিত টিকাদান থেকে কোনো কারণে বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।
টিকার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মনে থাকা যে কোনো দ্বিধা দূর করতে স্থানীয় ইমাম, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হবে।
উপকূলীয় এই অঞ্চলে টিকার গুণগত মান রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও আইস প্যাক নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, এবারের ক্যাম্পেইনে গ্যাভি (Gavi) টিকার অর্থায়ন ও সরবরাহ নিশ্চিত করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কারিগরি মান তদারকি করছে এবং ইউনিসেফ (UNICEF) মাঠ পর্যায়ে প্রচার ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছে। সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মা’ থেকে দেওয়া বার্তায় বলা হয়, “আপনার সন্তানকে টিকা দিন, সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।” ক্যাম্পেইন চলাকালীন নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য সকল অভিভাবকের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূল লক্ষ্য: হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com