1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

​হাম-রুবেলা মুক্ত আগামীর প্রত্যয়: কয়রায় সমন্বয় সভার মধ্য দিয়ে ‘মহা-লড়াই’ এর প্রস্তুতি

​এস এম এ রউফ, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে
উপকূলীয় জনপদ কয়রায় শিশুদের সুরক্ষায় শুরু হতে যাচ্ছে ‘জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’। এই মহতী উদ্যোগকে সফল করতে ১৯ এপ্রিল সকাল ১০টায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার, ইউনিসেফ (UNICEF), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং গ্যাভি (Gavi)-এর সম্মিলিত সহযোগিতায় দেশব্যাপী চলমান এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে কয়রাতেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।
সভায় বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা কেবল সাধারণ চর্মরোগ নয়, এটি শিশুর পঙ্গুত্ব এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে। ২০২৬ সালের এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী (অথবা লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়সী) সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম চরাঞ্চল ও লবনাক্ত এলাকার কোনো শিশু যেন এই জীবনরক্ষাকারী টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে ও ডাঃ কাঞ্চন সানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় আরো বক্তব্য রাখেন তপন কুমার কর্মকার,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। ডাঃ সুজিত কুমার বৈদ্য, আবাসিক মেডিকেল অফিসার। এস আই আঃ কাদের ,আমাদি ক্যাম্প ইনচার্জ ।বক্তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন: যারা নিয়মিত টিকাদান থেকে কোনো কারণে বাদ পড়েছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।
টিকার বিষয়ে সাধারণ মানুষের মনে থাকা যে কোনো দ্বিধা দূর করতে স্থানীয় ইমাম, শিক্ষক ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা হবে।
উপকূলীয় এই অঞ্চলে টিকার গুণগত মান রক্ষায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও আইস প্যাক নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, এবারের ক্যাম্পেইনে গ্যাভি (Gavi) টিকার অর্থায়ন ও সরবরাহ নিশ্চিত করছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কারিগরি মান তদারকি করছে এবং ইউনিসেফ (UNICEF) মাঠ পর্যায়ে প্রচার ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই বিশাল কর্মযজ্ঞের মূল কারিগর হিসেবে কাজ করছে। সম্মেলন কক্ষ ‘পদ্মা’ থেকে দেওয়া বার্তায় বলা হয়, “আপনার সন্তানকে টিকা দিন, সুন্দর ও সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।” ক্যাম্পেইন চলাকালীন নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে আসার জন্য সকল অভিভাবকের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূল লক্ষ্য: হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে শিশু মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com