1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে কুমিল্লার হোমনায় গৃহবধূকে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল জনতা: ধর্ষণকারিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)-এর উদ্যোগে এক হাজার রোজাদারের মধ্যে ইফতার বিতরণ

        মোঃ ইব্রাহিম শেখ 
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব (B.C.P.C)।
সংগঠনটির সভাপতি এবং জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান ও মোহাম্মদ রমজান সরকার এর উদ্যোগে, মাতৃজগত পরিবারের আয়োজনে এক হাজার রোজাদারের মধ্যে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, রাজধানীর মিরপুরে B.C.P.C-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি খান সেলিম রহমান। বিকেল থেকেই কার্যালয় প্রাঙ্গণে রোজাদারদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন ও ধর্মীয় পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়।
সভাপতি খান সেলিম রহমান রমজান মাসকে কালের সেরা শিক্ষা হিসেবে বর্ণনা করে বলেন:”রমজান আমাদের শেখায় সংযম, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মহিমা। এটি কেবল রোজা রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই রমজানের প্রকৃত তাৎপর্য। সমাজের সামর্থ্যবানরা যদি মানবকল্যাণে এগিয়ে আসে, তবে অসংখ্য হৃদয় আলোকিত হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখব, যাতে মানবিক মূল্যবোধ ও দয়া সমাজের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে পড়ে।”
তিনি আরও বলেন:”সাংবাদিক সমাজ শুধু সংবাদ পরিবেশকের ভূমিকায় সীমাবদ্ধ নয়। তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক চেতনাই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রেরণা। এই ধরনের উদ্যোগ আমাদের সমাজকে আরও মানবিক, সহমর্মী ও প্রগতিশীল করে। প্রত্যেকটি ছোট পদক্ষেপই বৃহৎ পরিবর্তনের সূচনা।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আরঙ্গজেব কামাল বলেন:”এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়। সাংবাদিকদের সংগঠন যখন মানবিক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা রাখে, তখন তা সমাজের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করে। রমজান আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহমর্মিতার বন্ধনে আবদ্ধ করে।”
তিনি সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করার আহ্বান জানান এবং আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবদুর রব মিয়া এবং সাংবাদিক সুরক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন:”সাংবাদিক সমাজ শুধু কলমের মাধ্যমে নয়, মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারে। আজকের এই আয়োজন তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। রমজানের শিক্ষাকে ধারণ করে আমাদের সবাইকে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন:
B.C.P.C-এর সাধারণ সম্পাদক মাহিদুল হাসান সরকার,সহ-সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন বাবু,দৈনিক জন জাগরণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এবং মিরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শিহাব উদ্দিন,দৈনিক খবর বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ জাকির মোল্লা,মিরপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস. এম. বদরুজ্জামান,মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসরাফিল,মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুন্নবী ফরাজী মুক্তার, যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল শিকদার, মোঃ বাবুল, জাহিদুল ইসলাম ও হারুন অর রশিদ জিন্নাহ,সিনিয়র সাংবাদিক লালন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন B.C.P.C-এর সাংগঠনিক সম্পাদক ভূইয়া কামরুল হাসান সোহাগ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুর রহমান ও মোঃ সুমন খান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন মুন্না প্রমুখ।
জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ঢাকা উত্তর শাখার ব্যুরো প্রধান এস. এম. রফিকসহ মোঃ রাকিবুল ইসলাম, মোঃ তন্ময় চৌধুরী, মোঃ রিবণ রায়হান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম রাজু, মোঃ আতাউর রহমান এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়ায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, দেশের স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং জনগণের সার্বিক মঙ্গল কামনা করা হয়। উপস্থিত সকলে আমিন ধ্বনিতে অংশ নেন।
ইফতার বিতরণ শেষে অতিথি ও রোজাদাররা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে একসাথে ইফতার গ্রহণ করেন। খেজুর, ফলমূল, পানি, শরবত ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর মাধ্যমে আয়োজকদের আন্তরিকতা প্রকাশ পায়।
বৃহত্তর মিরপুর এলাকার সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি শেষ হয় এক আন্তরিক, ধর্মীয় ও মানবিক আবহে।
রমজানের পবিত্রতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com