1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কোনো লিখিত বা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই কৃষিজমি রক্ষায় সিংড়ায় প্রশাসনের কঠোর অ্যাকশন, অবৈধ পুকুর খননে জরিমানা নীলফামারীতে নারী প্রধান শিক্ষকের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি।। ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের আমৃত্যু, ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান। মানবাধিকার সম্মেলনে সম্মাননা পেলেন ফারুক খাঁন, শ্রীমঙ্গলে সংবর্ধনা বাণিজ্যিক খেজুর বাগান পরিদর্শনে আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা টাংগাইলের নাগরপুরে ইমামদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করলেন এমপি লাভলু কাহালুতে বিষপানে অসুস্থ যুবকের মৃত্যু, আইনগত কার্যক্রম চলমান ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনের হাত হতে চিলমারী রক্ষার দাবিতে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত আ.লীগ নেতাদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে ইসির দ্বারস্থ জামায়াত

‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’

Desk report
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৮ বার পড়া হয়েছে

ইরান জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বা ‘আনক্লজ’ মেনে চলতে আইনিভাবে বাধ্য নয় বলে জানিয়েছেন, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাইদ ইরাভানি।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেওয়া এই বিবৃতিতে তিনি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সাম্প্রতিক কঠোর নৌ-পদক্ষেপগুলোর পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন।

ইরাভানি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অত্যন্ত অস্থিতিশীল ও যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরাপদ নৌ-চলাচলের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতেই তেহরান এই বিশেষ ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করেছে। মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে ইরানের এই অনড় অবস্থানকে বর্তমান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইরানি প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কিছু প্রভাবশালী সদস্যের বিরুদ্ধে ‘দ্বিমুখী নীতি’ অবলম্বনের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ইরাভানি অভিযোগ তোলেন যে, ওই দেশগুলো ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া অবৈধ নৌ-অবরোধের বিষয়ে নীরব থেকে কেবল ইরানের গৃহীত পদক্ষেপগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

তার মতে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর এই উদ্বেগ কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয় এবং তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এই উদ্বেগের কোনো সামঞ্জস্য নেই। তিনি মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই মূলত আন্তর্জাতিক আইন বেশি লঙ্ঘিত হচ্ছে।

বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ব তেলের বড় একটি অংশ পরিবাহিত হয় এবং এই পথে ইরানের কড়াকড়ির ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরাভানি তার বিবৃতিতে ইঙ্গিত দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানকে তাদের সমুদ্রসীমানায় হুমকির মুখে রাখা হবে, ততক্ষণ তারা নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা করবে না।

তেহরান মনে করে, আন্তর্জাতিক আইনের দোহাই দিয়ে তাদের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ও ইরানি নৌবাহিনীর মধ্যে সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি আরও বেড়ে গেল।

বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের সমুদ্র আইন নিয়ে ইরানের এই প্রকাশ্য বিরোধিতা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। যেহেতু ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির সব ধারায় স্বাক্ষর করেনি বা তা অনুমোদন করেনি, তাই তারা নিজেদের জলসীমায় নিজস্ব নিয়ম কার্যকর করতে চায়।

এই কূটনৈতিক লড়াই এখন কেবল আলোচনার টেবিলে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা সরাসরি সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। ইরানের এই কঠোর অবস্থানের পর হরমুজ প্রণালিতে মোতায়েন থাকা পশ্চিমা সামরিক জোটের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন নজর আন্তর্জাতিক বিশ্বের।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com