1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি সংরক্ষিত নারী আসনে ‘প্রবীণ-নবীনের সমন্বয়ে’ সুন্দর মনোনয়ন হয়েছে: সেলিমা রহমান ক্যানসার হাসপাতালের উপ-পরিচালককে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার ৫ সংরক্ষিত নারী আসন: ইসির কাছে মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন বিএনপি-জামায়াত জোটের প্রার্থীরা মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত

হ্যাটট্রিক বিজয় পেলেন মতিয়ার রহমান

আমতলী,প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ মার্চ, ২০২৪
  • ৬৪৬ বার পড়া হয়েছে

বরগুনার আমতলী পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মোবাইল প্রতীকের প্রার্থী মতিয়ার রহমান। এ নিয়ে তিনি পর পর তিনবার আমতলী পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হলেন।

শনিবার (৯ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। পরে ভোটের ফল প্রকাশ করে নির্বাচন অফিস।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিয়ার রহমান ৬ হাজার ৪৭৩ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেয়র ও আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান খান নান্নু হ্যাঙ্গার প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৭৭০ ভোট।

১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর আমতলী পৌরসভা প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠাকালে পৌর প্রশাসক হিসেবে তৎকালীন আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র দে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালের ৬ মে নির্বাচনে প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মো. আ. ছত্তার মৃধা। ২০০৫ সালের ৩০ জুলাই দ্বিতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত হন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল আহসান খান নান্নু।

তৃতীয় দফা ২০১১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত এবং ২০১৯ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচিত হন মেয়র মো. মতিয়ার রহমান।

আমতলী পৌরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, সকল অপশক্তিতে পিছনে ফেলে আপনারা যে অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়েছেন তার ঋণ শোধ করবার ক্ষমতা আমার নাই। আমার এই কঠিন সময়ে আপনারা আমার পাশে ছিলেন কথা দিচ্ছি আমিও আমার জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো।

এই জয় আমার নয়। এই জয় আপনাদের ভালোবাসার। এই জয় আমাকে আপনাদের সাথে আরও কৃতজ্ঞতার জালে বন্দী করে দিলো।
আমরা বিজয়ের আনন্দ উপভোগ করব তবে সেটি এখনই নয়। আপনারা নির্বাচনের পূর্বে যেভাবে শান্তি- শৃঙ্খলা বজায় রেখেছেন আশাকরি এখনো সেই সহনশীলতা বজায় রাখবেন। অতি উৎসাহী হয়ে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাবেন না। অতি উৎসাহী হয়ে কেউ কিছু ঘটালে তার দ্বায় নিজেকেই নিতে হবে। সবাই মিলেমিশে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবেন। একটি শান্তিপূর্ণ ও আধুনিক পৌরসভা নির্মাণে আপনাদের সকলের সহযোগিতা ও ভালোবাসা চাই।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com