1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার মানহানি মামলা, আদালতের সমন জারি কোনো অপমান সহ্য করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান ব্যক্তিগত জীবনের কিছু কঠিন সময়ের প্রতিফলন: গোলের পর কান্না করার কারণ জানালেন মেসি বেআইনিভাবে ৫ হাজার মুসলিমকে পুশব‍্যাক করেছে শুভেন্দু রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মায়ের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবেদন বিএনপির সংসদ সদস্যের পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না: সেতুমন্ত্রী ময়মনসিংহে উপজেলা রিসোর্স টিমের সদস্যদের নিয়ে গ্রাম আদালত বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি, বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে শনাক্ত কারিগরি বিচ্যুতি উদ্বেগজনক নয়: এনপিসিবিএল

বাজেটে সিম ট্যাক্স প্রত্যাহারের প্রস্তাব, সুফল পাবেন না গ্রাহকরা

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন মোবাইল সিম কার্ড কেনার ওপর থেকে ৩০০ টাকা কর বা সিম ট্যাক্স সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হচ্ছে। দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে গতিশীল করতে সরকার ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার বড় অঙ্কের রাজস্ব ছাড়ের এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। তবে সরকারের এই বড় ছাড়ের সরাসরি কোনো সুফল সাধারণ গ্রাহকেরা পাবেন না বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

টেলিকম খাতের বিশ্লেষণ বলছে, সিম ট্যাক্স প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বহুজাতিক মোবাইল অপারেটরদের লভ্যাংশ বা আর্থিক সুবিধা বাড়লেও সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচ কিংবা মোবাইল কলরেট কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। ফলে সরকারের এই বিশাল রাজস্ব ছাড়ের সুবিধা শেষ পর্যন্ত বড় কোম্পানিগুলোর পকেটেই যাবে, সাধারণ মানুষের ভাগ্যে সরাসরি কোনো সুফল জুটবে না।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবারের বাজেটের মোট সম্ভাব্য আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের আইসিটি খাতকে অন্যতম ‘থ্রাস্ট সেক্টর’ বা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কর, ভ্যাট এবং লাইসেন্সিং নীতিমালায় বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে টেলিকম খাতে মোট করের হার প্রায় ৫০ শতাংশ এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এই হার প্রায় ২৫ শতাংশ, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। এই খাতের দ্রুত বিকাশ ও আধুনিকায়নের স্বার্থেই সরকার এই উচ্চ করের হার ক্রমান্বয়ে একটি যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সিম ট্যাক্স সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এর ফলে আগামী অর্থবছরে সরকারের প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব কম আদায় হতে পারে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি হলেও বর্তমানে সচল ও বৈধ মোবাইল সিমের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩২ থেকে ৩৩ কোটিতে। এই পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে বলা যায় যে দেশের টেলিকম খাতটি ইতিমধ্যে একটি সম্পূর্ণ পরিপক্ব অবস্থায় চলে এসেছে। তাই এই খাতে নতুন করে এই ধরনের অতিরিক্ত কর ছাড়ের সুফল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিপরীতে, দেশের ফিক্সড ব্রডব্যান্ড বা বাসাবাড়ির ইন্টারনেট খাতে এখনো মাত্র ৮ থেকে ৯ শতাংশ মানুষের প্রবেশাধিকার রয়েছে। সম্ভাবনাময় এই খাতের প্রসারের জন্য বাজেটে ভ্যাট, কর বা কোনো ধরনের বিশেষ সরকারি প্রণোদনা না রেখে, উল্টো লবিংয়ে শক্তিশালী বড় বড় মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com