1. infoobayedcommunicationit@gmail.com : obayed it : obayed it
  2. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
  3. bot@local.invalid : Service Bot :
  4. infoobayed@gmail.com : infoobayed :
  5. vero76075@desh-bulletin.com : vero76075 :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত শিক্ষক, তুলছেন বেতন-ভাতা এই কঠিন সময়ে আপনারা একা নন, রাষ্ট্র আপনাদের পাশে আছে: নেপালের প্রধানমন্ত্রী নেপালে নিরাপদে আছেন সংগীতশিল্পী তাসরিফ, চাইলেন দোয়া পটুয়াখালীতে যুবদলের পদব‌ঞ্চিত নেতাদের ঝাড়ু মিছিল নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজের সংখ্যা প্রায় ১,৫০০ BetonWin Chile: descubre los mejores bonos de bienvenida en 2026 জুলাই হত্যা মামলা ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক ১০ মন্ত্রী-এমপি ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে লাগানো গাছের চারা রাতের আঁধারে ধ্বংস প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক শুরু জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হচ্ছে বিকেলে

শিবিরের সুশীলতার দায়ই শিবিরের অনেকে নেবে না: রাবি সভাপতিকে এক হাত নিলেন আম্মার

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের দায় নেবে না বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। এ কথা বলার পর তাদের কড়া সমালোচনা করেছেন সালাহউদ্দিন আম্মার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আজ বুধবার এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘শিবির সুশীলতার সংগঠন হলে তার দায়ই তাদের অনেক মানুষ নেবে না।’

সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেছেন, ‘আমার দায় নেবে না শিবির, এটা রাবি শিবির সভাপতিই বলেছেন। আমি তার আগেই বলি-শিবির আমার দায় নিলেই আমি সেটা মেনে নেব কেন? শিবির সুশীলতার সংগঠন হলে শিবিরের সুশীলতার দায়ই শিবিরের অনেক মানুষ নেবে না। এতকিছু মেনে নিতে চাইলে রাকসুতে শিবিরের প্যানেলে দাঁড়িয়ে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে জিততে পারতাম।’

তিনি বলেন, ‘নিজের শিরদাঁড়া উঁচু করে ১৫-২০ জন নিয়ে লড়াই করে বড় বড় রাজনৈতিক দলকে হারিয়ে রাকসুর জিএস হতে পারতাম না। ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা অন্তত জানে, আমার বিপরীতে কী পরিমাণ ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে এবং শিবিরের পক্ষ থেকে কী পরিমাণ চেষ্টা চালানো হয়েছে। আমার দায় নেওয়া লাগবে না ভাই, আমি আপনাদের দায় নিতেও বলিনি কখনো, প্রশ্নই আসে না।’

সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘তিনি আমার দাপ্তরিক খরচের ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ওনার আগে এই ব্যাপারটা নিয়ে একটু পড়াশোনা করা দরকার ছিল। এটার অ্যাকচুয়াল খাত হলো সংসদের মাসিক ব্যয় নির্বাহের খাত। (১২তম অধ্যায়, সাধারণ সম্পাদকের কলামের ৪ নম্বর পয়েন্ট)।’

‘এর মধ্যে রয়েছে সম্পাদকদের দাপ্তরিক খরচ, ভাউচার সমন্বয়, আপ্যায়ন, এমনকি রাকসু অফিসের প্রিন্টারের পেপার, চায়ের কেটলি থেকে শুরু করে প্রায় সংসদের সবকিছু যার খরচ রাকসুর সাধারণ সম্পাদকের বরাদ্দকৃত টাকা থেকেই নির্বাহ করা হয়। আমি তো এখনো হিসাবই দিইনি। উনি উড়ো খবর পড়ে প্রেস কনফারেন্স করেছেন। একটি বড় সংগঠনের সভাপতি হিসেবে তাঁর কাছে আরও ম্যাচিউরিটি আশা করেছিলাম’, যোগ করেন তিনি।রাকসু জিএস বলেন, ‘আমার কাছে এক টাকারও ভাউচার সংরক্ষিত আছে। অডিট শেষে সবকিছু উন্মুক্ত করে দিয়েই আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াব ইনশাআল্লাহ। এর মধ্যে ছাত্রদলও নোংরামি করল, আজ ছাত্রশিবিরের সভাপতিও নোংরামি করলেন। আপনাদের হিসাব চাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় এখনো পড়ে আছে ইনশাআল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘আপনাদের যদি উদ্দেশ্য হয় মিথ্যা এলিগেশন ছড়ানো, তাহলে এগুলো চালিয়ে যেতে পারেন। আর যদি সত্যটা পরিষ্কার করার ইচ্ছা থাকে তাহলে জাস্ট দুই মাস অপেক্ষা করুন। এখনো সকল হিসাব ক্লোজ হয়নি।’

সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আপনি রাকসুর কিছু সম্পাদকের দায়িত্বশীল কিন্তু এখনো তাদের সাধারণ সম্পাদক তো আমি। আমি আমার কোনো সম্পাদকের ওপর কোনো ভাউচার চাপিয়ে দেব না। এটা অন্তত রাকসুর মতো জায়গায় সম্ভবও নয়। কোনো সংগঠনে এমন নিয়ম থাকলে থাকতে পারে। যাই হোক আর কটা দিন সবুর করেন প্লিজ! সব হিসাব সামনে আসুক। তারপর যার যা বলার নিশ্চিন্তে বলবেন।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com