1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জ্বালানি সংকটে অটোরিকশা ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কাঁঠালিয়াতে এসএসসি পরীক্ষা: উৎসবমুখর ও নকলমুক্ত পরিবেশ হোমনা উপজেলায় সুষ্ঠু পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন সংরক্ষিত আসনে স্বতন্ত্র জোটের মনোনয়ন পেলেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী পিরোজপুরের জুঁই পবিপ্রবিতে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত দৌলতখানে মেঘনায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৪ হাজার লিটার চোরাই পেট্রোল জব্দ আজ শুরু হলো এসএসসি পরীক্ষা; কেন্দ্র পরিদর্শনে উপজেলা প্রশাসন ভাঙ্গুড়ার তৎপরতা রসুলপুর শিশু হাসপাতালে রোগীর চাপ, সেবা পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: কুখ্যাত বনদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক দেবীগঞ্জের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রান্তে নতুন সম্ভাবনা – সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেলেন ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান

ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি না, বুয়েট কর্তৃপক্ষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে : গয়েশ্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৪২৭ বার পড়া হয়েছে

মেধাবী সন্তানদের লেখাপড়ার স্বার্থে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি না, এ সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

সম্প্রতি নাটোরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে বিএসএমএমইউ’তে চিকিৎসাধীন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান শাহীনের চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে গিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ছাত্ররাজনীতি চাই তো, আমরাও ছাত্ররাজনীতি করে এই পর্যন্ত এসেছি।

ছাত্ররাজনীতি তো বাধা না। একটি শিক্ষাঙ্গনে একদলীয় ছাত্রসংগঠন, তাদের নানা ধরনের নারী ধর্ষণ-নির্যাতন-অত্যাচার, ভিন্ন মতের ছাত্রসংগঠনকে থাকতে না দেওয়া এবং নৃশংসভাবে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরারকে হত্যা করা হয়। এর প্রতিবাদে শুধু ছাত্ররা না, দেশের সুশীলসমাজ, রাজনৈতিক দল ফুঁসে ওঠে। তখন বুয়েট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বুয়েটে কোনো রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন থাকবে না।

যার পরিপ্রেক্ষিতে বুয়েট এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা এখনো বলবৎ আছে কি না, সেই আশঙ্কা আছে কি না- সার্বিক দিক বিবেচনা করে বুয়েটকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি না।

তিনি আরো বলেন, বুয়েট কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে, ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত রাখা এবং মা-বাবার মেধাবী সন্তানরা যারা এখানে লেখাপড়া করে, তাদের লেখাপড়ার স্বার্থে বুয়েট কর্তৃপক্ষ সেখানে রাজনীতি বিরত রাখবে- এটা তাদের সিদ্ধান্ত।

বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, আমি মনে করি, বুয়েটের অবস্থার চেয়েও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা আরো শোচনীয়। সেখানে ধর্ষণের সেঞ্চুরি পালন করেছিল ছাত্রলীগ নেতা মানিক।

এর চেয়ে ঘৃণিত আর কী হতে পারে। আসলে তারা কোনো কলঙ্কে কলঙ্কিত না। আমরা যতই তাদের কলঙ্কিত মনে করি, তারা তত অলঙ্কৃত হয়। এর একটি কারণ, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং প্রশাসনের দলীয় কর্মী হিসেবে রাজনীতি ধ্বংস করা। এখন দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আছে কি না সন্দেহ আছে।

কিছুদিন পরে বোঝা যাবে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আদৌ আছে কি না।

নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান শাহীনের ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে উপস্থিত সাংবাদিকদের গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের দ্বারা প্রায়ই আমাদের নেতাকর্মীরা আক্রান্ত হয়। সারা দেশে ক্ষমতাসীনদের এ নৃশংসতা চলছে। তারপরও বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠ ছেড়ে যায় না। তবে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও পেশিশক্তি ছাড়া জনবিচ্ছিন্ন সরকারের পক্ষে রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকা সম্ভব নয় বলে মনে করেন গয়েশ্বর।

রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে সরকার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ না দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করছে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদে সারা দেশে কান্নার রোল পড়লেও ক্ষমতাসীনরা খুশি হবে বলে মনে করেন গয়েশ্বর।(সূত্র:কালের কন্ঠ)

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com