1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় লস্কর ফিলিং স্টেশনে অনিয়ম ও হামলার অভিযোগ, তদন্তের দাবি কলাপাড়া হাসপাতালে বিদ্যুৎ না থাকলে মোমবাতি রোগীদের একমাত্র ভরসা বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, শিগগিরই দায়িত্ব গ্রহণ নেত্রকোনায় ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন নারী মাদক কারবারি আটক ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়ল কুমির মেলান্দহে কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ পড়ে মা ও ২ মেয়ের মৃত্যু ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় যুবককে গণপিটুনি মসজিদের ইমামের কাছে যুবদলের দুই নেতার লাখ টাকা চাঁদা দাবি আওয়ামী ভূত এখন অন্য একটি দলের কাঁধে চেপেছে: তারেক রহমান সুন্দরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে মনপুরার মেঘনায় ৬ ট্রলারডুবি ও অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ১ জেলে নিখোঁজ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩৪৭ বার পড়া হয়েছে
টানা অতিগরমের মাঝে আকস্মিক ঘূর্ণীঝড়ের কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগর মোহনা ও মেঘনা নদীতে ৬ টি ট্রলারডুবি ও অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও ৯ টি মাছধরা ট্রলার আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসময় ডুবে যাওয়া ট্রলারগুলোতে থাকা শতাধিক জেলে অন্য ট্রলারে উঠতে সক্ষম হলেও ১ জেলে নিখোঁজ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন স্থানীয় ট্রলার মালিক ও  উদ্ধার হওয়া জেলেরা। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৯ টায় আকস্মিক ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার পর মনপুরার মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে এই ট্রলারডুবি ও বাড়িঘর বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী ও উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানান, শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ঘাট থেকে বঙ্গোপসাগরের মোহনা ও মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে মাছ শিকারে জান জেলেরা। আবহাওয়ার অবনতি দেখা দিলে বিভিন্ন ঘাটে ফিরতে শুরু করে ট্রলারগুলো। ঘাটে ফেরার সময় আকস্মিক ঝোড়ো হাওয়া ও ঢেউয়ের তোড়ে ছয়টি ট্রলার ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া ট্রলারগুলোর মালিকরা হলেন বসার মাঝি, মানউদ্দিন মাঝি, মহিউদ্দিন মাঝি, কামাল মাঝি, নাজিম মাঝি, মনির মাঝি ও ইউনুছ মাঝি। এসময় আশে পাশে থাকা মাছধরা অন্য ট্রলারগুলো প্রায় শতাধিক জেলেকে উদ্ধার করে। তবে জেলেদের মাছ ধরার জাল ও ট্রলার নদীতে তলিয়ে যায়। এসময় বসার মাঝির ট্রলারের ১ জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজ জেলে মোঃ আলাউদ্দিন (৩৫), হাজিরহাট ইউনিয়নের সোনার চার এলাকার বাসিন্দা।
এছাড়া আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারগুলোর মালিক হলেন, রফিক মাঝি, কবির মাঝি, শাহিন মাঝি, মালেক মাঝি, সুজন মাঝি, গিয়াসউদ্দিন মাঝি ও শহিদ মাঝি ট্রলার।
এছাড়াও আকস্মিক ঝড়ে উপজেলার কলাতলির চর, কাজীর চর, শহীদ সামছুদ্দিন চরসহ বিভিন্ন স্থানে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে কলাতলির চর ও কাজীর চরে ৩০ টি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসময় ঘূর্ণিঝড়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি মোটা গাছ পড়ে মনপুরা থানার ৩০ ফুট সীমানা প্রাচীর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এব্যাপারে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম জানান, সাগর মোহনায় মনপুরার ছয়টি ট্রলার ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সব কয়টি ট্রলার উদ্ধার করা হয়েছে। এতে থাকা জেলে ও মাঝিদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনো ১ জেলে নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে কোস্ট গার্ডের সাথে সমন্বয় করে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। বাকি ট্রলারগুলোর বিষয়ে খবর নেওয়া হচ্ছে।
ক্যাপশন- ভোলার মনপুরা উপজেলার কলাতলীর চরে বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com