1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ চট্টগ্রামের জব্বারের বলি খেলায় হ্যাট্রিক চ‍্যাম্পিয়ন হোমনার বাঘা শরীফ

করোনা দেখালো সংক্রামক রোগ সীমান্ত চেনে না

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ৪০৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক :  সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সব দেশ একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের দেখিয়েছে সংক্রামক রোগ কোনো সীমান্ত চেনে না এবং দুর্বল, ক্ষমতাধর কিংবা উন্নত, উন্নয়নশীল কাউকে আলাদা বিবেচনা করে না।

লন্ডনে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্থানীয় সময় দুপুরে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি) আয়োজিত গ্লোবাল ভ্যাকসিন সামিটে দেওয়া বক্তব্যে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে সুরক্ষিত করতে কমপক্ষে ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহে এই সম্মেলনের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি কোভিড-১৯ এর মতো প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গাভি) সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারি প্রমাণ করেছে যেকোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা অসহায়। এটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয় পুরনো প্রবাদ, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধেই উত্তম। সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন প্রমাণিত।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী প্রতি চার মাসে একটি নতুন সংক্রামক রোগের উদ্ভব হয়। গ্লোবাল ভাইরোম প্রজেক্ট অনুমাণ করছে প্রায় ৭শ হাজার ভাইরাস আছে যেগুলো মহামারি সৃষ্টি করতে সক্ষম। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

‘সুতরাং মানব অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। এই যুদ্ধে ‘গাভি’ আমাদের সবচেয়ে ভালো সহায়তা দিতে পারে।’

‘গাভি’র প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০০ সাল থেকে গাভি ৭৬০ মিলিয়ন মানুষকে প্রাণঘাতী রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করছে এবং সারাবিশ্বে ১৩ মিলিয়নের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে। সবার সহযোগিতায় তারা এটি অব্যাহত রাখতে পারবে।

গাভিকে সহযোগিতা করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু আমি নই, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গাভি)সহায়তার কথা শুনতে গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করছে।

সার্বজনীন স্বাস্থ্য কাভারেজ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গাভিকে পরীক্ষিত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি) পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাংলাদেশকে দেওয়া সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।

গাভির জন্য তহবিল বাড়াতে এই ভার্চ্যুয়াল সামিটে বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তেনিও গুতেরেস, গাভি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. এনগোজি ওকনজো-আইওয়ালা উদ্বোধনী সেশনের বক্তব্য রাখেন। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভিডিওবার্তা প্রচার করা হয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com