1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নাহিদের জোড়া আঘাত, পাওয়ার প্লেতে নিউজিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জামায়াত ঐক্যবদ্ধ ভাবে দেশকে গঠন করতে চায় অধ্যক্ষ- শাহাবুদ্দিন

মোঃ এরশাদ আলী
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২৮৭ বার পড়া হয়েছে
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দীন বলেছেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠার হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। তিনিই সেদিন ডাক দিয়েছিলেন সারাদেশ থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের লগি-বৈঠা নিয়ে ঢাকায় আসতে। সেদিন শুধু আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসরা লগি-বৈঠা নিয়ে এসে জামায়াত-শিবির নেতা-কর্মীদের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। বিশ্ববিবেক বিস্ময় নিয়ে সেদিন তাকিয়ে দেখেছিল, আওয়ামী লীগ কিভাবে মৃত মানুষের ওপর দাঁড়িয়ে নৃত্য করেছিল। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর দেশজুড়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের লগি-বৈঠা তান্ডবে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরোও বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর সেদিন ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা আল্লাহর রাসুলের নেতৃত্বের অনুসারীদের মতো আমাদের নেতাদের সামনে মানবঢাল হয়ে রক্ষা না করতেন, হয়তো আমাদের অনেক নেতাকেই শাহাদতের অমীয়সুধা পান করতে হতো। বাংলাদেশকে যদি স্বাধীনতার চেতনায় কাঙ্খিত লক্ষ্যের দিকে নিতে হয়, তাহলে ফ্যাসিবাদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। এদেশে খুনিদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না, শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।গত সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আদমদীঘি উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত আমির ডাঃ ইউনুছ আলীর সভাপতিত্বে আদমদীঘি গো-হাট প্রাঙ্গনে
জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের অন্যতম সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দীন, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আব্দুল হক সরকার, বগুড়া জেলা জামায়াতের শুরা সদস্য মাওঃ মোফাজ্জল হক, জামায়াত নেতা ও
দুপচাঁচিয়া উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল গণি মন্ডল, তালোড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আদমদীঘি উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ আতোয়ার হোসেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওঃ
গোলাম রব্বানী, উপজেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মাওঃ এমদাদুল হক, সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ইদ্রিস আলী, উপজেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য ফেরদাউস রহমান, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল সালাম, জামায়াত নেতা মাস্টার আব্দুর রহিম, রমজান আলী,
কামরুজ্জামান প্রমূখ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com