1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

ধানের শীষ যার হাতে, আমরা আছি তার সাথে -রকিবুল করিম পাপ্পু

Md Jake Ullah
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) এলাকার বিএনপি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি, জেলা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অন্যতম সদস্য ও রায়গঞ্জ উপজেলার সমন্বয়ক রকিবুল করিম পাপ্পু বলেছেন, আমি কোন নেতা নই, আমি বিএনপির একজন কর্মী। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি ) সিরাজগঞ্জ-৩ রায়গঞ্জ, তাড়াশ এলাকায় যাকে দলীয় মনোনয়ন দেবেন আমি দলের একজন কর্মী হিসেবে তার পক্ষে কাজ করে যাব -ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন – আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জপুর্ণ নির্বাচন। কাজেই চ্যালেঞ্জপুর্ণ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমি দলের মধ্যে কোন ভেদাভেদ ও গ্রুপিং লবিং দেখতে চাইনা, বরং সকল নেতা কর্মীসহ প্রার্থীদেরকে সকল ভেদাভেদ ভুলে একসাথে জনসাধারণের জন্য কাজ করতে চাই। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সকল প্রার্থীগণের কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে যদি পরস্পরের ঐক্যের বন্ধন অটুট থাকে তাহলে পরস্পরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মীসমর্থকদের মাঝে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট থাকবে।
ধানের শীষ যার হাতে, আমরা আছি তার সাথে” এই স্লোগানকে সামনে রেখে রকিবুল করিম পাপ্পু বলেন, যদি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি ধানের শীষ নাও পাই, তাতে আমার কোন দুঃখ থাকবেনা। উপরন্ত ধানের শীষ যার হাতে থাকবে, আমি তার পাশে থেকেই ধানের শীষের কাজ করে যাব। গত শনিবার (১২ জুলাই) দুপুর ২টায় রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নের শ্যামনাই গ্রামের নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথাগুলো বলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদী সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে সাধারন জনগণ তাদের মূল্যবান মৌলিক ভোট দিতে পারে নাই, ছাত্র, জনতা, সাংবাদিকসহ নানান পেশার মানুষ অন্যায় অত্যাচারের শিকার হয়েছেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের জেল জুলুম হয়েছে, এখন আর সেই দিন নেই, সাধারণ জনগণ ভোট পছন্দের মার্কা অনুযায়ী যাকে খুশি তাকে দিবে। আগামী নির্বাচনে দল যাকে ধানের শীষ মার্কা দিবে আমরা তার সাথেই থাকবো। আমি উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ করে মাঠে কাজ করার জন্য রায়গঞ্জ-তাড়াশ উপজেলায় এসেছি। আমি অত্র এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে মিলেমিশে কাজ করতে চাই। কেননা দেশের মানুষ এখনো বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। আগামী দিনে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বেই সরকার গঠিত হবে। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ যার হাতে থাকবে তাকেই বিজয়ী করতে হবে এর কোন বিকল্প নেই।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্দুল বাতেন, রায়গঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্যারিস, তাড়াশ উপজেলা যুবদলের
আহ্বায়ক – শাহ আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক – রাজিব আহমেদ মাসুম, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক – শাহাদত হোসেন , সদস্য সচিব – সাইফুল খাঁন, ছাত্রদলের, আহবায়ক – জাহিদ ফকির
সদস্য সচিব – খন্দকার শাহাদত হোসেনসহ তাড়াশ উপজেলা বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com