1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

গোপালগঞ্জে সাধারণ জনগণের উপর হামলা ও হত্যার প্রতিবাদ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৭৫ বার পড়া হয়েছে
আজ গোপালগঞ্জের সাধারণ মানুষের উপর সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং  এনসিপি ও শিবিরের প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী-জঙ্গিরা নির্বিচারে হামলা ও গুলি চালিয়ে যে ন্যক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছে সেটার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এক বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার মাস জুলাইয়ে দেশ ধ্বংসের মহোৎসবের অংশ হিসেবে অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রযোজনায়  এবং জামাত-শিবিরের সহায়তায় এনসিপি সারা দেশে কর্মসূচি পালন করছে। গোপালগঞ্জের এই কর্মসূচি নিয়ে এনসিপির প্রতারকরা কয়েকদিন ধরে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে যাচ্ছে এবং যুদ্ধংদেহী মনোভাব প্রকাশ করছে। এসব কিছুর পেছনে তাদের সুগভীর পরিকল্পনা ছিল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে হামলা। তাদের এই ষড়যন্ত্র যখন প্রকাশ পায় তখন গোপালগঞ্জের মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের নিখাঁদ আবেগ থেকে রাস্তায় নেমে আসে এবং প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সাধারণ জনগণের সেই প্রতিবাদ মিছিলে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও শিবির-এনসিপির জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা হামলা ও নির্বিচারে গুলি চালায় এবং গুলিতে ৪জন নিহত ও ২৫ জনের বেশি গুলিবিদ্ধ  হয়। নিথর পড়ে থাকা গুলিবিদ্ধ দেহ সেনাবাহিনীর এক সদস্য বুট দিয়ে পিষ্ট করছে। যা বর্বরতার যে কোনো সীমাকে অতিক্রম করেছে।
বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজ বাংলাদেশের সেনাবাহিনী একটা রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে জনতার বুকে গুলি চালিয়েছে। যা সমগ্র জাতিকে ক্ষুব্ধ ও হতবাক করেছে। এর মধ্য দিয়ে আমাদের জাতীয় সেনাবাহিনীর মর্যাদা ও সম্মানহানি হয়েছে। সেনাসদস্যের এই প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকার যথাযথ উত্তর আমরা সেনাবাহিনীর কাছ থেকে প্রত্যাশা করছি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, গোপালগঞ্জের সর্বস্তরের জনগণ এসব সন্ত্রাসী ও জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সোচ্চার হয়েছে। এটা ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার ইউনূস ও তার মদদপুষ্ট গুণ্ডাবাহিনীর বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ ও গণপ্রতিবাদের শুরু। এখান থেকেই সারা বাংলায় দাবানল ছড়িয়ে পড়বে। সেই দাবানলে পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাবে অবৈধ দখলদার ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং ও তার সন্ত্রাসী-জঙ্গি গোষ্ঠীর আস্তানা। গোপালগঞ্জে সংঘটিত এই নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল সারা দেশে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা এবং ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একইসাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকলকে এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com