1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: পঞ্চগড়-২ আসনে একক প্রার্থী বিএনপি, এনসিপি ও জামায়াতের

Afsana Setu
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ৭১০ বার পড়া হয়েছে
পঞ্চগড়-২ (বোদা-দেবীগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনীতির মাঠে সরব হয়ে উঠেছেন বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এ আসনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থীরা ইতোমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছেন। তারা বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭১০ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৯৪ হাজার ২২৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩ জন।
আসনটির অতীত রাজনৈতিক ইতিহাসও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৬ সালে নির্বাচিত হন কমিউনিস্ট নেতা কমরেড ফরহাদ। পরবর্তীতে ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে জয়ী হন বিএনপি নেতা মোজাহার হোসেন। এরপর ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম সুজন।
এবারের নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে একক মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ঘোষিত প্রার্থী সফিউল্লাহ সুফিও সরব রয়েছেন মাঠে।
এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জনগণের দৃষ্টি কেড়েছেন সমাজসেবক ও লেখক, দলটির জেলা সংগঠক শিশির আসাদ।
এ ছাড়া জাসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য এমরান আল আমিনও এ আসনে সক্রিয় রয়েছেন।
প্রার্থীরা তাদের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন,
“পতিত স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের আমলে যারা মাঠে থেকে দলীয় কর্মসূচি পালন করেছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন—তাদের মধ্য থেকেই দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে। দল যাকে মনোনয়ন দেবে, আমরা সবাই তার পক্ষেই কাজ করব।”
শিশির আসাদ বলেন,
“আমরা ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের একটি পার্ট। জনগণ আমাদের নতুন শক্তি হিসেবে দেখছে। আমরা সুসংগঠিতভাবে মাঠে নেমেছি। আশা করছি, জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে।”
সফিউল্লাহ সুফি বলেন,
“এই এলাকা জামায়াত ঘাঁটি এলাকা। আমরা জনগণের ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি এবং জনগণ আমাদের সাড়া দিচ্ছে। ইনশাআল্লাহ আমরা জয়ী হব।”
এদিকে ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচন ঘিরে নানা আলোচনা চলছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভোটার বলেন,
“তিনজন প্রার্থীই শক্ত অবস্থানে আছেন। আমরা তো বিএনপি, জাপা, আওয়ামী লীগ সবাইকেই দেখেছি। এবার মানুষ পরিবর্তন চায়। তরুণ প্রার্থী শিশির আসাদ যেভাবে মাঠে নেমেছেন, আমরা তাকে সমর্থন করব।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে পঞ্চগড়-২ আসনে একটি ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। তবে তরুণদের একটি বড় অংশ বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে নতুন দলগুলোর দিকেই ঝুঁকছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com