1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

আমাকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করলে নেছারাবাদকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো -শামীম সাঈদী

কামরুল আহসান (সোহাগ)
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ২০০ বার পড়া হয়েছে
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা  জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার  (২৬জুলাই) সকালে স্থানীয় তৃনা কমিউনিটি সেন্টারে পিরোজপুর জেলা,উপজেলা নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের সমাবর্তনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 নেছারাবাদ উপজেলা আমীর  মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রশিদের  সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর ০২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পুত্র আলহাজ্ব শামীম সাঈদী।
অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর  অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদ, জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ জহিরুল হক,এবং জেলা পেশাজীবী বিভাগের সভাপতি ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ঢাকাস্থ নেছারাবাদ উপজেলা সেক্রেটারি ও ঢাকা আদাবর থানা আমীর আল-আমিন সবুজসহ জেলা উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের জামায়াতের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শামীম সাঈদী তার বক্তব্যে বলেন, “আমাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে  নির্বাচিত করা হলে নেছারাবাদকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। বেকারত্ব দূর করার জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবো।”
“তিনি আরো বলেন “গত এক বছর আগে আমরা জুম মিটিংয়ে কথা বলেছিলাম,কিন্তু আজ এতো সংখ্যক নেতা-কর্মী সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে পেরে মহান রবের প্রতি শুকরিয়া আদায় করছি। নেছারাবাদ একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল, এখানে বিভিন্ন পাকা রাস্তা ও ব্রিজের প্রয়োজন রয়েছে। আপনারা প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আমাদের জানাবেন, আমরা আমাদের সাধ্যমতো ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
সভা আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সাথে মতবিনিময় করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা গ্রামাঞ্চলের উন্নয়নে একটি নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় সাধন করলে সরকারি প্রকল্পগুলোও স্থানীয় মানুষের উপকারে আসবে বলে দাবি করেছেন নেতৃবৃন্দ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com