1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

পঞ্চগড়-০২ (বোদা-দেবীগঞ্জ) আসন হবে নৈতিক নেতৃত্ব ও উন্নয়নের মডেল আসন — শিশির আসাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৩২৬ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় নাগরিক পার্টির বোদা উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী ও সম্ভাব্য প্রার্থী শিশির আসাদ পঞ্চগড়-০২ আসন (বোদা-দেবীগঞ্জ) নিয়ে স্বপ্ন দেখেন ন্যায়ের ভিত্তিতে গড়া একটি আদর্শ রাজনৈতিক ও উন্নয়ন ক্ষেত্র তৈরির। রাজনীতিকে নীতির পথে ফেরানোর পাশাপাশি, জনসম্পৃক্ত উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার। তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন আমাদের দেশ বুলেটিন প্রতিবেদক।
দেশ বুলেটিন: আপনি কেন মনে করেন পঞ্চগড়-০২ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়?
শিশির আসাদ:
এই এলাকার মানুষ অনেকদিন ধরেই অবহেলিত। উন্নয়ন হয়েছে দলকেন্দ্রিক, মানুষের ভাগ্যে তেমন কিছু জোটেনি। যারা ক্ষমতায় থেকেছেন, তারা জনগণের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক প্রতিনিধির কাছে নিজেকে অসহায় মনে করে। মানুষ চায় একজন সত্যিকারের প্রতিনিধি, যে তাদের পাশে থাকবে, যার কথা আর কাজ এক হবে। সেই জায়গা থেকেই মানুষ পরিবর্তন চায়।
দেশ বুলেটিন: আপনার মূল পরিকল্পনা কী পঞ্চগড়-০২ আসন নিয়ে?
শিশির আসাদ:
আমি বোদা-দেবীগঞ্জকে একটি নৈতিক নেতৃত্ব, সুশাসন ও অংশগ্রহণভিত্তিক উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
আমার পরিকল্পনার মূল পিলারগুলো হলো:
১. দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন ভিত্তিক সেবা ব্যবস্থা গড়া।
২. তারুণ্যের নেতৃত্ব বিকাশে প্রতিটি ইউনিয়নে যুব ফোরাম ও কর্মসংস্থান উদ্যোগ।
৩. কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়ন৷
৪. প্রবীণ, বিধবা, প্রতিবন্ধী এবং গরিবদের ভাতার কার্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি।
৫. প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির মধ্যে সরাসরি সংযোগ গড়ে তুলে “জনতার সভা” চালু করা।
৬. হিজড়া, আদিবাসী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত।
আমি চাই, বোদা ও দেবীগঞ্জ একসাথে হয়ে উঠুক মানবিক বাংলাদেশ গঠনের রোল মডেল।
দেশ বুলেটিন: আপনি রাজনৈতিকভাবে নতুন, এটা আপনার দুর্বলতা না শক্তি?
শিশির আসাদ:
আমি মনে করি, এটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি কারও ধারাবাহিক দুর্নীতির উত্তরসূরি নই। আমি জনগণের ভিতর থেকে উঠে এসেছি। আমার পরিচয়—আমি জনগণের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো। কোনো লুটপাট, কমিটিতে টাকার বাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার আমার নামের সঙ্গে নেই। এটাই আমাকে জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে।
দেশ বুলেটিন: আপনার দৃষ্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা কোনটি এই আসনে?
শিশির আসাদ:
সামাজিক অবিচার ও অনিয়ম। এখানকার মানুষ কার্ড পায় ঘুষ দিয়ে, চাকরি পায় পরিচয়ে, সুযোগ পায় ঘনিষ্ঠতায়। এটা বন্ধ করতে হবে। আমি মনে করি, অন্যায় করে কেউ যেন সুবিধা না পায়, আর ন্যায়বান মানুষ যেন অপমানিত না হয়—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
দেশ বুলেটিন: নির্বাচনের জন্য কী প্রস্তুতি নিচ্ছেন?
শিশির আসাদ:
আমি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। প্রতিটি ওয়ার্ডে, ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা করছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে, আমি চেষ্টা করছি জনগণের দুঃখ-দুর্দশা ও স্বপ্নগুলো শোনার, বোঝার এবং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা গড়ার। নির্বাচনের জন্য নয়—আজীবনের রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে।
দেশ বুলেটিন: যদি নির্বাচিত হন, প্রথম কাজ কী করবেন?
শিশির আসাদ:
একটি “জনগণের অভিযোগ ও পরামর্শ সেল” চালু করবো, যাতে প্রত্যেক ইউনিয়ন থেকে মানুষ সরাসরি কথা বলতে পারে। আমি চাই, নেতৃত্ব মানে যেন হয় মানুষের সেবক হওয়া—not boss, but servant.
দেশ বুলেটিন: শেষ কথা?
শিশির আসাদ:
আমার রাজনীতি ব্যক্তিগত কিছু পাওয়ার জন্য নয়, বরং একটা প্রজন্মকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা। আমি বলি—“চলো, আমরা বদলাই রাজনীতিকে। রাজনীতি যেন নোংরামি নয়, হোক পবিত্র এক সামাজিক দায়িত্ব।” পঞ্চগড়-০২ কে আমরা সবাই মিলে বদলে দেব, এই বিশ্বাস নিয়েই আমি এগিয়ে যাচ্ছি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com