1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা দেয়ায় বিএনপি নেতার উপর হামলা, অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ কুমারখালীতে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত মাগুরা বেরোইল পলিতা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা দাউদ হোসেন ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। কলাপাড়ায় অটো রাইস মিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড আদমদীঘিতে অনিয়মের ইস্যুতে খাদ্যবান্ধব বাতিল ডিলারকে পুনর্বহালের চাপ; বিব্রত প্রশাসন ফরিদপুরে বন্যার আগাম সতর্কতা বিষয়ে দিনব্যাপী মহড়া অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের শাহাদাতবার্ষিকী: প্রশাসনের অবহেলায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নবাবগঞ্জে কড়া নজরদারীতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু কুড়িগ্রামে ৫৬ কেন্দ্রে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নিচ্ছে ২৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কুয়াকাটায় জেলেকে কুপিয়ে গুরুতর আহত, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি

অন্ধ কর্মীর খোঁজ রাখেনি বিএনপি

ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০০ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের বাসিন্দা আলমগীর মল্লিক। তিনি একজন বিএনপি’র কর্মী। তার ছেলের কাছে জানতে পারি তার সম্পর্কে বিস্তারিত।

~~~~~
ছেলে: আসসালামু আলাইকুম, আমি আবিদ শাহারিয়ার, আমার পিতা মোঃ আলমগীর হোসেন মল্লিক, আমি খুলনা জেলা অন্তর্ভুক্ত কয়রার থানাধীন কয়রা কপোতাক্ষ কলেজ এর দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র, আমার অতি আগ্রহ ছিলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদল করার, কিন্তু আমি যে বয়স থেকে বুঝতে শিখি সেখান থেকে দেখে আসছি আমার পিতা একজন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির রাজনৈতিক সাথে সরাসরি ভাবে জড়িত, তাহলে ধরা যায় স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ এর দূর শাসন অবস্থায় সে রাজনৈতিক করে গেছে, কিন্তু আমার জানা মতে আমার পিতা দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর এই বিএনপির রাজনৈতিকর গাবুরা ইউনিয়নের হাতে গোনা প্রথম কাতারে কর্মী, এবং আমার জানা মতে তিনি গাবুরা ২ নং ওয়ার্ড এর যুবদল এর ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্ব এ আছেন, আমার পিতার বাম চোখটা আগে থেকে হালকা খারাপ ছিলো, তারপরে ২০১২ সালে আসে তার বাম চোখটা পুরাপুরি ভাবে নষ্ট হয়ে যায়, পর্যায়ক্রমে তার ডান চোখ টা হালকা হালকা করে নষ্ট হতে থাকে, ২০২৩ ডিসেম্বর মাসে খুলনা আই হাসপাতালের ডাঃ সৈয়দ আলী জানাই তার ডানের দৃষ্টি মাত্র ১০% অবশিষ্ট আছে, সে এই অবস্থা নিয়ে আওয়ামী দুঃশাসন কালে প্রথম ইউনিয়নে তারপর উপজেলা, জেলা এমনকি বিভাগীয় মহা সমাবেশে তার সহযোদ্ধাদের হাত ধরে উপস্থিত হয়েছেন, কিন্তু ২০২৪ সালে ৩১ মার্চ এ তার ২ টা চোখ নষ্ট হয়ে যায়, তারপর থেকে এই ১ বছর ৫ মাস হয়ে গেছে কিন্তু তার সেই সহযোদ্ধারা তার কোনো খোজ খবর নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না, তার প্রতি যে সহানুভূতি দেখানো দরকার সেটা তিনি পান না, আমি প্রথমে বলছি আমারও অতি আগ্রহ ছিলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল করার, কিন্তু আমার পিতার যে অবস্থা যে পরিণিতি সেটা দেখা আমার মনের ভিতরে ছাত্রদলের প্রতি যে অনুভুতি ছিলো সেটা আসতে আসতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আশা করি আমি কি বুঝাতে চাচ্ছি সেটা হয়তা সবাই বুঝতে পারছেন, সবাই ভালো থাকবেন এবং আমার আব্বুর জন্য দোয়া করবেন।
~~আমি ওমর ফারুক বলছি খুলনা থেকে স্টাফ রিপোর্টার। ~ বিএনপির ওই কর্মীর, সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ করছি, যারা বিএনপি’র উচ্চ পদে নিয়োজিত রয়েছেন। খোঁজ খবর রাখার অনুরোধ করছি। চোখের ডাক্তার দেখানোর জন্য অনুরোধ করছি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com